ক্রিকেট বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। ইংরেজ আমলে উপমহাদেশে চালু হওয়া এই বিলাতী খেলা যতটা জনপ্রিয়তা এবং মিডিয়া আকর্ষণ পেয়েছে অন্য কোন খেলা ততটা পেতে পারেনি। দর্শক আগ্রহ, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, মিডিয়া, অর্থ এই খেলাকে করে তুলেছে তুমুল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে যতটুকু পরিচিত পেয়েছে তার সিংহভাগ মূলত ক্রিকেটের সুবাদে। বিশ্বকাপের মত বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরে বাংলাদেশ খেলেছে কেবল ক্রিকেটেই। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার আগে ও এর পর থেকে বাংলাদেশে এই খেলা নিয়ে যতটা প্যাশন তৈরি হয়েছে এরসাথে আর কোন খেলার তুলনা চলেনা বললেই চলে। বাংলাদেশ টিমের একেকজন ক্রিকেটার দেশের মানুষের কাছে একেকজন আইকন, এরাই দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন, এদের জয়ে আমরা আনন্দ করি আবার এদের পরাজয়ে আমরা বিমর্ষ হই।
১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাথে অবিস্মরণীয় সেই জয়, ২০০০ সালে মর্যাদাপূর্ন টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন, ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়া বধ, ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতকে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় করে দেওয়া সহ ক্রিকেটের সকল জয়ে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ উৎসবের আনন্দে ভেসেছে। দুঃখ-দারিদ্রপীড়িত এই দেশের মানুষ ক্রিকেটের মধ্যে খুঁজে পায় একটু আনন্দ, ক্রিকেট খেলা উপভোগ করে ক্ষণিকের জন্য ভুলে থাকতে চায় জীবনের সমস্যাগুলো। ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন মাঠে দর্শকদের উপস্থিতি এবং কোলাহল, পাড়ায় চায়ের দোকানে দল বেঁধে খেলা দেখা, ক্রিকেট নিয়ে বন্ধুদের আড্ডা মাতিয়ে তোলা, ইন্টারনেট/মোবাইলে ঘন ঘন স্কোর জেনে নেওয়া আমাদের জানান দেয় ক্রিকেটকে আমরা কতটা ভালোবাসি।
বাংলাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাংলাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
৭ মার্চ, ২০১২
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
বর্ণাঢ্য উদ্বোধনীর মাধ্যমে শুরু হলো বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১১
ঢাকায় গতকাল আলোর ছটায় বর্ণিল উদ্বোধনীর মাধ্যমে পর্দা উঠলো বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১১ এর। ভারত-বাংলাদেশ-শ্রীলংকার যৌথ আয়োজনে আয়োজিত এই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পেয়েছিল বাংলাদেশ। মোটামুটি সফল একটি উদ্বোধনী তারা আয়োজন করতে পেরেছে বলেই সবার ধারনা। দীর্ঘদিন পর দেশবাসী আন্তর্জাতিকমানের কোন উদ্বোধনী দেখতে পেল দেশের মাটিতে। এই ব্যাপারে বিসিবি, ক্রীড়া মন্ত্রনালয়, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী সহ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই ধন্যবাদ পেতেই পারে। দেশ-বিদেশের শিল্পী-কলাকুশলীদের অংশগ্রহনে চমৎকার একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পেরেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিক দেশগুলোর নিজস্ব কৃষ্টি-সংস্কৃতি পরিবেশন ছাড়াও ব্রায়ান এডামসের মত আন্তর্জাতিক শিল্পীর নজরকাড়া উপস্থিতি এই অনুষ্ঠানকে করে তুলেছিল দর্শকদের চোখে দারুন উপভোগ্য। মাঠে উপস্থিত দর্শক ছাড়াও দেশের আনাচে-কানাচে সকল দেশবাসী টিভির পর্দায় চোখ রেখেছিল এই অনুষ্ঠানের দিকে। এর পাশাপাশি স্যাটেলাইটের কল্যাণে বিশ্বের ১৮০টির মত দেশে এই অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করার কারনে বিশ্ববাসীও শামিল হয়েছিল এই কাতারে। অবশেষে মানসম্মত একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপভোগ করে সবাই বাংলাদেশের সামর্থ্যের প্রমাণ পেলো।
৩০ জানুয়ারি, ২০১১
'মেহেরজান' চলচ্চিত্র নিয়ে সৃষ্ট সাম্প্রতিক বিতর্ক ও কিছু কথা
'মেহেরজান'; যুদ্ধ ও প্রেমের গল্প নাম দিয়ে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি চলচ্চিত্র। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের সহযোগীতায় মুক্তিপ্রাপ্ত এই ভিন্নস্বাদের (!) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রটি নিয়ে মুক্তির আগে থেকেই মিডিয়া মারফত ব্যাপক মাতামাতি চলেছে। হয়েছে নানা আলোচনা, ইমপ্রেস টেলিফিল্মের সহযোগীতায় এর আগে বেশকিছু সাড়াজাগানো মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ছবি তৈরি হওয়ায় এই ছবিটি নিয়েও সৃষ্টি হয়েছিল দর্শক-বোদ্ধাদের আগ্রহ। এই ছবিতে ভারতের জয়া বচ্চন, ভিক্টর ব্যানার্জীর মত গুণী শিল্পীদের অভিনয়ের কথা শুনেও আগ্রহী হয়েছিলেন অনেকে। কিন্তু মুক্তির পর কি দেখলাম আমরা এই ছবিতে?
ভিন্নধারার গল্পের নাম দিয়ে এই ছবিতে দেখানো হলো আমাদের জাতির গর্ব মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে চরম বিতর্কিত আর বিকৃত ইতিহাস! সচেতন জনগণ এটি মেনে নেয় নাই, কিছু মিডিয়া আর ব্যক্তি এটিকে সমর্থন দিলেও দেশের বেশিরভাগ জনগণ এই ছবিটি নিয়ে সমালোচনা করেছেন, অনলাইন জগতে ব্লগ-ফোরাম সহ সবখানে চলেছে এই ছবিটির ব্যবচ্ছেদ আর তুমুল সমালোচনা।
ভিন্নধারার গল্পের নাম দিয়ে এই ছবিতে দেখানো হলো আমাদের জাতির গর্ব মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে চরম বিতর্কিত আর বিকৃত ইতিহাস! সচেতন জনগণ এটি মেনে নেয় নাই, কিছু মিডিয়া আর ব্যক্তি এটিকে সমর্থন দিলেও দেশের বেশিরভাগ জনগণ এই ছবিটি নিয়ে সমালোচনা করেছেন, অনলাইন জগতে ব্লগ-ফোরাম সহ সবখানে চলেছে এই ছবিটির ব্যবচ্ছেদ আর তুমুল সমালোচনা।
২৭ জানুয়ারি, ২০১১
কে হতে পারে ক্রিকেট বিশ্বকাপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন?
বিশ্বকাপ ক্রিকেট অত্যাসন্ন! হিসাব মতে আর মাত্র ২২ দিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই আসর। এবারের বিশ্বকাপ উপমহাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ায় এটি নিয়ে উন্মাদনাও কম নয়, সহ-আয়োজক দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপ এবার নিয়ে এসেছে নতুন এক মাত্রা। কে হবে এবারের শিরোপা জয়ী? কার হাতে যাবে বিশ্ব ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠত্বের ট্রফিটি? এই আলোচনা এখন সবার মুখে মুখে...গত কয়েক বিশ্বকাপের চিরাচরিত অসিদের একক আধিপত্যের ধারা ভেঙ্গে এবার নতুন এক চ্যাম্পিয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় আলোচনা জমে উঠেছে বেশ।
আমার এই পোস্টে বিশ্বকাপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে এমন কিছু দেশ নিয়ে আমার নিজস্ব ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা করছি-
ভারত
বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই হট ফেভারিটের তালিকায় প্রথমেই যে দেশটি নিয়ে মাতামাতি হচ্ছে সেটি হলো ভারত। সহ-আয়োজক ভারত আগের বিশ্বকাপগুলোতে তেমন সাড়া জাগাতে (২০০৩ বিশ্বকাপে ফাইনাল পর্যন্ত গেলেও ২০০৭ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডেই বিদায়) না পারলেও এবার বেশ আটঘাট বেঁধেই নামছে শিরোপা জয়ের মিশনে। সাম্প্রতিক পারফরমেন্স আর ঘরের মাঠ এই দুটি সুবিধা মিলিয়ে ভারতকে তাই ক্রিকেট বোদ্ধারা রাখছেন তালিকার প্রথম দিকেই।
আমার এই পোস্টে বিশ্বকাপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে এমন কিছু দেশ নিয়ে আমার নিজস্ব ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা করছি-
ভারত
বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই হট ফেভারিটের তালিকায় প্রথমেই যে দেশটি নিয়ে মাতামাতি হচ্ছে সেটি হলো ভারত। সহ-আয়োজক ভারত আগের বিশ্বকাপগুলোতে তেমন সাড়া জাগাতে (২০০৩ বিশ্বকাপে ফাইনাল পর্যন্ত গেলেও ২০০৭ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডেই বিদায়) না পারলেও এবার বেশ আটঘাট বেঁধেই নামছে শিরোপা জয়ের মিশনে। সাম্প্রতিক পারফরমেন্স আর ঘরের মাঠ এই দুটি সুবিধা মিলিয়ে ভারতকে তাই ক্রিকেট বোদ্ধারা রাখছেন তালিকার প্রথম দিকেই।
২২ জানুয়ারি, ২০১১
বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দলঃ আমার ভাবনা
আপনারা অবগত আছেন যে, সম্প্রতি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১১ কে সামনে রেখে ঘোষিত হয়ে গেলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড। এই স্কোয়াড দেখে নানা জনে নানা মন্তব্য করছেন। কেউ করছেন সমালোচনা, আবার কেউ করছেন প্রশংসা। এটাই স্বাভাবিক, কারন উপমহাদেশে আয়োজিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ দলের এই ১৫ জনের উপর নির্ভর করছে ১৫ কোটি দেশবাসীর আশা-ভরসা। এরাই বিশ্বকাপে ভালো খেলে আমাদের গর্বিত করবে এটাই সবার আশা। ফলে বাংলাদেশ দল নিয়ে এমন আলোচনা হওয়াটাই স্বাভাবিক। আপনাদের সবার জন্য বাংলাদেশ দলের ১৫ সদস্যের নাম নিচে দিলাম-
চূড়ান্ত স্কোয়াডঃ সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, জুনায়েদ সিদ্দিক, শাহরিয়ার নাফীস, রকিবুল হাসান, মোহাম্মদ আশরাফুল, মুশফিকুর রহিম, নাঈম ইসলাম, মাহমুদউল্লাহ, আবদুর রাজ্জাক, রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, নাজমুল হোসেন, মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী।
চূড়ান্ত স্কোয়াডঃ সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, জুনায়েদ সিদ্দিক, শাহরিয়ার নাফীস, রকিবুল হাসান, মোহাম্মদ আশরাফুল, মুশফিকুর রহিম, নাঈম ইসলাম, মাহমুদউল্লাহ, আবদুর রাজ্জাক, রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, নাজমুল হোসেন, মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী।