জাভা একটি শক্তিশালী ক্রস প্লাটফর্ম অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। সফটওয়্যার ডেভেলপ, ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে আধুনিক কম্পিউটিংয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ লক্ষ্যনীয়। ওরাকল কর্পোরেশন কর্তৃক রিলিজকৃত JDK (Java Development Kit) হচ্ছে জাভা ডেভেলপারদের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয় একটু টুল। এর পাশাপাশি রয়েছে JRE (Java Runtime Environmet) যেটি ওয়েবব্রাউজার সমূহের জন্য জাভা প্লাগইন হিসাবে কাজ করে।
সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে ওরাকল জাভার নতুন ভার্সন ৭ যেটিতে পূর্বের ভার্সনের চেয়ে আরো বেশি ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে- নতুন প্রটোকল (যেমন- SCTP) সাপোর্ট, নতুন I/O লাইব্রেরি সাপোর্ট, JVM এ যুক্ত হয়েছে নতুন ডাইনামিক ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট, স্ট্রিং সুইচিং ইত্যাদি। ইতিমধ্যেই উইন্ডোজ, লিনাক্স সহ সকল প্লাটগফর্মের জন্য এই নতুন ভার্সনটা পাওয়া যাচ্ছে।
আমার আজকের পোস্টে আমি আলোচনা করবো কিভাবে আপনি উবুন্টু/ডেবিয়ান লিনাক্সে (ফেডোরা/ওপেনসুয্যের জন্য বাইনারি [rpm] রয়েছে, ফলে তাদের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়) ওরাকল জাভার (JDK ও JRE) নতুন এই ভার্সনটি ইন্সটল করবেন।
টিউটোরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টিউটোরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
২১ ডিসেম্বর, ২০১১
উবুন্টু/ডেবিয়ান লিনাক্সে ইন্সটল করুন ওরাকল জাভা ভার্সন ৭
ট্যাগসমূহ:
ইন্টারনেট,
উবুন্টু,
ওপেনসোর্স,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
লিনাক্স
১০ ডিসেম্বর, ২০১১
উবুন্টুতে মেইল সার্ভার ইন্সটল এবং কনফিগারেশন [১ম পর্ব]
মাঝখানে কিছুদিন ব্যস্ততার কারনে সময় করতে না পারায় ব্লগে নতুন কোন পোস্ট দিতে পারিনি। আজ কিছুটা সময় পেয়ে তাই ফিরে এলাম নতুন একটি লিনাক্স বিষয়ক টিউটোরিয়াল নিয়ে। এর আগে ব্লগে ফেডোরায় সাম্বা সার্ভার ইন্সটলেশন এবং কনফিগারেশন বিষয়ক একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি উবুন্টুতে ধাপে ধাপে মেইল সার্ভার ইন্সটলেশন ও কনফিগার বিষয়ক একটি টিউটোরিয়াল।
লিনাক্স সিস্টেমে মেইল সার্ভার ইন্সটলেশন এবং কনফিগার করা কিছুটা সময় সাপেক্ষ একটি প্রক্রিয়া। তাই আমি ধাপে ধাপে সহজ ভাষায় এই প্রক্রিয়াটি আলোচনা করার চেষ্টা করবো। পুরো বিষয়টি একটি পোস্টে আলোচনা করলে পোস্ট দীর্ঘ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই আমি দুই পর্বে আলোচনাটি করার চেষ্টা করবো। আজ দিলাম ১ম পর্ব।
মেইল সার্ভার ইন্সটলের পূর্বে যেসকল বিষয় জানা দরকার তা হলো একটি মেইল সার্ভার স্থাপনে কি কি দরকার হয়, এটি কেবলমাত্র একটি সার্ভার নয় বরং বেশ কিছু উপাদানের সমন্বয়ে গড়ে উঠে একটি মেইল সার্ভার। আপনার প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত কাজের উদ্দেশ্যে আপনার মেইল সার্ভার দরকার পড়তে পারে। তাই মেইল সার্ভারের প্রয়োজনীয় অংশগুলো জানা থাকা দরকার।
ট্যাগসমূহ:
ইন্টারনেট,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
নেটওয়ার্কিং,
লিনাক্স
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১১
Spotify: অসাধারন একটি অনলাইন মিউজিক সার্ভিস
গান শুনতে কার না ভালো লাগে? সঙ্গীতপিপাসু মানুষের নানাবিধ সঙ্গীতের চাহিদা মেটানোর একটি দারুন মাধ্যম হলো ইন্টারনেট। ওয়েবের জগতে ছড়িয়ে থাকা হাজারো সাইট থেকে অনেকেই পছন্দের গান ডাউনলোড করে শুনতে ভালোবাসেন, আবার অনেকে পছন্দ করেন অনলাইন মিউজিক সার্ভিস।
বিভিন্ন অনলাইন রেডিও, Grooveshark, Pandora সহ হাজারো অনলাইন মিউজিকের ভান্ডারের মাঝে সঙ্গীতপিপাসুদের জন্য আজ আমি নিয়ে এসেছি নতুন ধারার একটি মিউজিক সার্ভিস Spotify।
বিভিন্ন অনলাইন রেডিও, Grooveshark, Pandora সহ হাজারো অনলাইন মিউজিকের ভান্ডারের মাঝে সঙ্গীতপিপাসুদের জন্য আজ আমি নিয়ে এসেছি নতুন ধারার একটি মিউজিক সার্ভিস Spotify।
১৫ জুন, ২০১১
ফেডোরায় সাম্বা সার্ভার কনফিগারেশন এবং ফাইল শেয়ারিং
প্রিয় পাঠক, আজ আবারো আপনাদের সামনে এলাম আরেকটি টিউটোরিয়াল নিয়ে। এটি সাম্বা-সার্ভার কনফিগার এবং এর মাধ্যমে লিনাক্স এবং উইন্ডোজ মেশিনের মধ্যে ফাইল শেয়ারিং বিষয়ক। অনেক বাসায় কিংবা অফিসে (যেখানে একাধিক কম্পিউটার রয়েছে এবং যেগুলো একই নেটওয়ার্কের আওতায়) অনেক কম্পিউটারে উইন্ডোজ এবং অনেক কম্পিউটারে লিনাক্স ইন্সটল্ড থাকে, লিনাক্স থেকে লিনাক্স মেশিনে ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য বিশেষ কোন মেকানিজম দরকার না হলেও লিনাক্স থেকে উইন্ডোজ মেশিনে ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য সাম্বা-সার্ভার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আসুন প্রথমেই দেখি সাম্বা কি-
সাম্বা হচ্ছে SMB/CIFS Networking Protocol এর একটি ফ্রি সফটওয়্যার ইম্পলিমেন্টেশেন যেটি এন্ড্রু ট্রিগেল কর্তৃক উদ্ভাবিত। এর মাধ্যমে উইন্ডোজ ক্লায়েন্টের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিং করা যায় এবং এর মাধ্যমে উইন্ডোজ সার্ভার ডোমেইনে সহজেই কাজ করা যায়। বেশিরভাগ লিনাক্স/ইউনিক্স-লাইক সিস্টেমেই এটি কাজ করে। এমনকি এটি এপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমেও সমান কার্যকর। আজকাল বেশিরভাগ লিনাক্স ডিস্ট্রোতেই উইন্ডোজ মেশিনের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিংয়ের সুবিধার্থে এটি দেওয়া হয়ে থাকে। সাম্বা নামটি এসেছে SMB (Server Message Block) থেকে যেটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজের নেটওয়ার্ক ফাইল সিস্টেমের একটি প্রটোকল। সাম্বা ওপেনসোর্স এবং GNU GPL লাইসেন্সের আওতায় রিলিজকৃত। এর সর্বশেষ স্টেবল ভার্সন ৩.৫.৮।
সাম্বা হচ্ছে SMB/CIFS Networking Protocol এর একটি ফ্রি সফটওয়্যার ইম্পলিমেন্টেশেন যেটি এন্ড্রু ট্রিগেল কর্তৃক উদ্ভাবিত। এর মাধ্যমে উইন্ডোজ ক্লায়েন্টের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিং করা যায় এবং এর মাধ্যমে উইন্ডোজ সার্ভার ডোমেইনে সহজেই কাজ করা যায়। বেশিরভাগ লিনাক্স/ইউনিক্স-লাইক সিস্টেমেই এটি কাজ করে। এমনকি এটি এপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমেও সমান কার্যকর। আজকাল বেশিরভাগ লিনাক্স ডিস্ট্রোতেই উইন্ডোজ মেশিনের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিংয়ের সুবিধার্থে এটি দেওয়া হয়ে থাকে। সাম্বা নামটি এসেছে SMB (Server Message Block) থেকে যেটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজের নেটওয়ার্ক ফাইল সিস্টেমের একটি প্রটোকল। সাম্বা ওপেনসোর্স এবং GNU GPL লাইসেন্সের আওতায় রিলিজকৃত। এর সর্বশেষ স্টেবল ভার্সন ৩.৫.৮।
ট্যাগসমূহ:
উইন্ডোজ,
ওপেনসোর্স,
টিউটোরিয়াল,
টিপস,
নেটওয়ার্কিং,
ফেডোরা,
লিনাক্স
৯ জুন, ২০১১
টিউটোরিয়ালঃ ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রোতে পূর্নাঙ্গ ৩২-বিট সাপোর্ট এনাবল করা
আজ আবার আপনাদের সামনে এসেছি আরেকটি টিউটোরিয়াল নিয়ে। আপনারা অনেকেই নিশ্চয় অবগত আছেন, আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম ৩২-বিট ও ৬৪-বিট এই দুইভাগে বিভক্ত করা যায়। একসময় আমাদের দেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ কম্পিউটারেই ৩২-বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হতো, এমনকি বর্তমানেও এই ধারা অনেকটাই অব্যাহত আছে। কিন্তু উন্নত হার্ডওয়্যার সাপোর্টের এই যুগে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য অনেক ইউজারই ৬৪-বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার শুরু করেছেন। ৩২-বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৬৪-বিট এপ্লিকেশন চালানো যায় না, কিন্তু ৬৪-বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৩২-বিট এপ্লিকেশন সমূহ সহজেই চালানো যায় যদি সঠিক লাইব্রেরী ফাইলসমূহ ইন্সটল থাকে।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মত লিনাক্স ঘরানার অপারেটিং সিস্টেম বা ডিস্ট্রোগুলোও ৩২-বিটের পাশাপাশি ৬৪-বিট ভার্সন রিলিজ দেয় এবং অনেক ইউজারই এখন সেগুলো ইউজ করছেন। এখন এই ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রো ইউজারদের জন্য ডিস্ট্রোসমূহের রিপোতে তাদের আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ দেওয়া থাকে। কিন্তু তবুও কখনো কখনো বিশেষ প্রয়োজনে ৬৪-বিট ইউজারদের কিছু ৩২-বিট প্যাকেজ ইন্সটলের দরকার হয়ে পড়ে, বিশেষ করে- অনেক সফটওয়্যার ভেন্ডর তাদের সফটওয়্যারের কেবলমাত্র ৩২-বিট ভার্সন রিলিজ দেন (উদাহরনস্বরুপ- Yoono, Qnext ইত্যাদি), অর্থাৎ শুধুমাত্র ৩২-বিট আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ তারা সরবরাহ করেন। এখন এধরনের সফটওয়্যারসমূহ চালানোর প্রয়োজনে ৬৪-বিট ডিস্ট্রো ইউজারদের প্রয়োজনীয় ৩২-বিট লাইব্রেরী সমূহ ইন্সটল থাকা দরকার।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মত লিনাক্স ঘরানার অপারেটিং সিস্টেম বা ডিস্ট্রোগুলোও ৩২-বিটের পাশাপাশি ৬৪-বিট ভার্সন রিলিজ দেয় এবং অনেক ইউজারই এখন সেগুলো ইউজ করছেন। এখন এই ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রো ইউজারদের জন্য ডিস্ট্রোসমূহের রিপোতে তাদের আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ দেওয়া থাকে। কিন্তু তবুও কখনো কখনো বিশেষ প্রয়োজনে ৬৪-বিট ইউজারদের কিছু ৩২-বিট প্যাকেজ ইন্সটলের দরকার হয়ে পড়ে, বিশেষ করে- অনেক সফটওয়্যার ভেন্ডর তাদের সফটওয়্যারের কেবলমাত্র ৩২-বিট ভার্সন রিলিজ দেন (উদাহরনস্বরুপ- Yoono, Qnext ইত্যাদি), অর্থাৎ শুধুমাত্র ৩২-বিট আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ তারা সরবরাহ করেন। এখন এধরনের সফটওয়্যারসমূহ চালানোর প্রয়োজনে ৬৪-বিট ডিস্ট্রো ইউজারদের প্রয়োজনীয় ৩২-বিট লাইব্রেরী সমূহ ইন্সটল থাকা দরকার।
ট্যাগসমূহ:
উবুন্টু,
ওপেনসুয্যে,
ওপেনসোর্স,
টিউটোরিয়াল,
ফেডোরা,
লিনাক্স
২ মার্চ, ২০১১
টিপস এন্ড ট্রিকসঃ সাজিয়ে তুলুন আপনার ব্লগ (৪র্থ পর্ব)
১ম পর্ব
২য় পর্ব
৩য় পর্ব
(গত পর্বের পর)
গত পর্বে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম ব্লগার ব্লগে নতুন ফিচার যোগ সংক্রান্ত কিছু টিপস, এখন আপনাদের সামনে আবারো হাজির হলাম আরো কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস নিয়ে। তাহলে চলুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক-
ব্লগ পোস্টে যুক্ত করুন ওয়েলকাম মেসেজ
এই ব্লগের পোস্টে শিরোনামের নিচে আপনারা নিশ্চয় একটি ওয়েলকাম মেসেজ দেখতে পাচ্ছেন, এধরনের ওয়েলকাম মেসেজের সাহায্যে আপনি আপনার ব্লগের পাঠককে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি আপনার ব্লগের আরএসএস ফিডে সাবস্ক্রাইবের সুযোগ দিতে পারেন, এতে আগ্রহী পাঠক ব্লগের নতুন পোস্টগুলো প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই আপডেট পেয়ে যাবে। জেকুয়েরী এর সাহায্যে বানানো এধরনের এনিমেটেড ওয়েলকাম মেসেজ আপনার ব্লগ পোস্টকে আরো চিত্তাকর্ষক করে তুলতে সাহায্য করতে পারে, আসুন দেখি কিভাবে এটি যোগ করবেন-
২য় পর্ব
৩য় পর্ব
(গত পর্বের পর)
গত পর্বে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম ব্লগার ব্লগে নতুন ফিচার যোগ সংক্রান্ত কিছু টিপস, এখন আপনাদের সামনে আবারো হাজির হলাম আরো কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস নিয়ে। তাহলে চলুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক-
ব্লগ পোস্টে যুক্ত করুন ওয়েলকাম মেসেজ
এই ব্লগের পোস্টে শিরোনামের নিচে আপনারা নিশ্চয় একটি ওয়েলকাম মেসেজ দেখতে পাচ্ছেন, এধরনের ওয়েলকাম মেসেজের সাহায্যে আপনি আপনার ব্লগের পাঠককে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি আপনার ব্লগের আরএসএস ফিডে সাবস্ক্রাইবের সুযোগ দিতে পারেন, এতে আগ্রহী পাঠক ব্লগের নতুন পোস্টগুলো প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই আপডেট পেয়ে যাবে। জেকুয়েরী এর সাহায্যে বানানো এধরনের এনিমেটেড ওয়েলকাম মেসেজ আপনার ব্লগ পোস্টকে আরো চিত্তাকর্ষক করে তুলতে সাহায্য করতে পারে, আসুন দেখি কিভাবে এটি যোগ করবেন-
ট্যাগসমূহ:
উইন্ডোজ,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
টিপস,
ডিজাইন,
ব্লগিং,
লিনাক্স
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
টিপস এন্ড ট্রিকসঃ সাজিয়ে তুলুন আপনার ব্লগ (৩য় পর্ব)
১ম পর্ব
২য় পর্ব
(গত পর্বের পর)
গতপর্বে আমি আপনাদের সাথে ব্লগার প্লাটফর্মের ব্লগে নতুন সুবিধা যোগ সংক্রান্ত কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস শেয়ার করেছিলাম। আজ আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি আরো কিছু নতুন ফিচার যোগ করার উপায়, তাহলে আসুন শুরু করা যাক-
মন্তব্য ফরমে যুক্ত করুন ইমোটিকন
ব্লগ/ফোরামের পোস্ট/মন্তুব্যের অন্যতম সুন্দর একটি ফিচার হলো ইমোটিকন (সংক্ষেপে- ইমো)। এর মাধ্যমে পাঠক/লেখক নিজের মনের কোন ভাব ছবির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। ব্লগার প্লাটফর্মের ব্লগে মন্তব্য ফরমে ডিফল্টভাবে এই ইমোটিকন সুবিধাটি দেওয়া না থাকলেও টেমপ্লেটে কিছুটা পরিবর্তন এনে আপনি আপনার ব্লগের মন্তব্য ফরমে যোগ করতে পারেন আকর্ষনীয় কিছু ইমোটিকন। এটি করার উপায় হলো-
২য় পর্ব
(গত পর্বের পর)
গতপর্বে আমি আপনাদের সাথে ব্লগার প্লাটফর্মের ব্লগে নতুন সুবিধা যোগ সংক্রান্ত কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস শেয়ার করেছিলাম। আজ আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি আরো কিছু নতুন ফিচার যোগ করার উপায়, তাহলে আসুন শুরু করা যাক-
মন্তব্য ফরমে যুক্ত করুন ইমোটিকন
ব্লগ/ফোরামের পোস্ট/মন্তুব্যের অন্যতম সুন্দর একটি ফিচার হলো ইমোটিকন (সংক্ষেপে- ইমো)। এর মাধ্যমে পাঠক/লেখক নিজের মনের কোন ভাব ছবির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। ব্লগার প্লাটফর্মের ব্লগে মন্তব্য ফরমে ডিফল্টভাবে এই ইমোটিকন সুবিধাটি দেওয়া না থাকলেও টেমপ্লেটে কিছুটা পরিবর্তন এনে আপনি আপনার ব্লগের মন্তব্য ফরমে যোগ করতে পারেন আকর্ষনীয় কিছু ইমোটিকন। এটি করার উপায় হলো-
ট্যাগসমূহ:
উইন্ডোজ,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
টিপস,
ডিজাইন,
ব্লগিং,
লিনাক্স
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
টিপস এন্ড ট্রিকসঃ সাজিয়ে তুলুন আপনার ব্লগ (২য় পর্ব)
১ম পর্ব
(গত পর্বের পর)
গত পর্বে আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম আপনার ব্লগার প্লাটফর্মের ব্লগটিতে নতুন সুবিধা যোগ করার জন্য কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস। আজ আবারো আপনাদের সামনে এসেছি আরো কিছু ট্রিকস নিয়ে। তাহলে আসুন শুরু করা যাক-
ব্লগ পোস্টের শেষে যুক্ত করুন সম্পর্কিত পোস্ট তালিকা
আপনারা যারা ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মে ব্লগ বানিয়েছেন তারা একটি ফিচার দেখে থাকবেন যাতে কোন পোস্টের নিচে উক্ত পোস্টের লেবেল/ট্যাগ অনুসারে ঐ ব্লগের অন্যান্য ঐ সম্পর্কিত পোস্টগুলোর একটি তালিকা দেখা যায়। এটিকে Related Posts নামেও অনেকে চিনে থাকবেন। বিভিন্ন ফোরামেও পোস্টের নিচে এরকম তালিকা আপনারা দেখে থাকবেন। এই সুবিধাটি ব্লগারে অনুপস্থিত হওয়ায় অনেকেই এটি নিয়ে অভিযোগ করে থাকেন। কিন্তু একটু চেষ্টা করলে আপনি ব্লগারেও যুক্ত করতে পারেন এই সুবিধাটি (এই ব্লগটির পোস্টের নিচে খেয়াল করুন)। এজন্য যা করতে হবে তা হলো-
১. ব্লগারের টেমপ্লেটের html কোড এডিটের অপশনটি খুলুন।
(গত পর্বের পর)
গত পর্বে আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম আপনার ব্লগার প্লাটফর্মের ব্লগটিতে নতুন সুবিধা যোগ করার জন্য কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস। আজ আবারো আপনাদের সামনে এসেছি আরো কিছু ট্রিকস নিয়ে। তাহলে আসুন শুরু করা যাক-
ব্লগ পোস্টের শেষে যুক্ত করুন সম্পর্কিত পোস্ট তালিকা
আপনারা যারা ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মে ব্লগ বানিয়েছেন তারা একটি ফিচার দেখে থাকবেন যাতে কোন পোস্টের নিচে উক্ত পোস্টের লেবেল/ট্যাগ অনুসারে ঐ ব্লগের অন্যান্য ঐ সম্পর্কিত পোস্টগুলোর একটি তালিকা দেখা যায়। এটিকে Related Posts নামেও অনেকে চিনে থাকবেন। বিভিন্ন ফোরামেও পোস্টের নিচে এরকম তালিকা আপনারা দেখে থাকবেন। এই সুবিধাটি ব্লগারে অনুপস্থিত হওয়ায় অনেকেই এটি নিয়ে অভিযোগ করে থাকেন। কিন্তু একটু চেষ্টা করলে আপনি ব্লগারেও যুক্ত করতে পারেন এই সুবিধাটি (এই ব্লগটির পোস্টের নিচে খেয়াল করুন)। এজন্য যা করতে হবে তা হলো-
১. ব্লগারের টেমপ্লেটের html কোড এডিটের অপশনটি খুলুন।
ট্যাগসমূহ:
উইন্ডোজ,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
টিপস,
ডিজাইন,
ব্লগিং,
লিনাক্স
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
টিপস এন্ড ট্রিকসঃ সাজিয়ে তুলুন আপনার ব্লগ (১ম পর্ব)
বর্তমানে অনলাইন জগতে তুমুল জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হলো ব্লগিং। বিশ্বের অনেক ব্যক্তি জড়িত আছেন এই মাধ্যমটির সাথে। নিজের চিন্তা-চেতনা সবার সাথে শেয়ার করতে বা অন্যের ভাবনার খোরাক পেতে ব্লগিং একটি শক্তিশালী প্লাটফর্ম হিসাবে ব্যাপক জনপ্রিয়। এছাড়াও সংবাদ, তথ্যপ্রযুক্তি, অর্থনীতি, খেলাধুলা সহ এমন কোন বিষয় নেই যেটি নিয়ে ব্লগ গড়ে উঠেনি। প্রাতিষ্ঠানিক বা সার্বজনীন ব্লগের পাশাপাশি অনেকেই চালু করেন ব্যক্তিগত ব্লগ, যেটি একজন ব্যক্তির চিন্তা-চেতনা-জীবনাদর্শ ইত্যাদি নানাদিক ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ব্লগ তৈরি করার জন্য রয়েছে বেশকিছু প্লাটফর্ম। ব্লগিং প্লাটফর্ম হিসাবে জনপ্রিয় প্লাটফর্মগুলোর মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার ইত্যাদি অন্যতম। অনেকে ব্লগিংয়ের জন্য বেছে নিচ্ছেন ওয়ার্ডপ্রেস, আবার অনেকে বেছে নেন ব্লগার। জনপ্রিয়তায় কোনটি এগিয়ে রয়েছে এটি সঠিকভাবে বলা মুশকিল। আমি আমার এই ধারাবাহিক পোস্টের মাধ্যমে মূলত: ব্লগার প্লাটফর্মে যারা ব্লগিং করেন তারা কিভাবে নিজেদের ব্লগে নতুন সুবিধা যোগ করে ব্লগটিকে মনের মত সাজিয়ে তুলতে পারেন সেই ব্যাপারেই আলোকপাত করার চেষ্টা করবো।
ব্লগার কি?
ব্লগার একটি জনপ্রিয় ব্লগিং প্লাটফর্ম যেখানে নিখরচায় ও সহজে আপনি ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। এটি মূলত 'পিরা ল্যাব' নামক একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্মিত যেটিকে ২০০৩ সালে কিনে নেয় গুগল। বর্তমানে এটি গুগলের একটি সার্ভিস হিসাবে চালু রয়েছে। আপনার যদি গুগল একাউন্ট (জিমেইল) থাকে তাহলে আপনি ব্লগারে সাইন-ইন করে তৈরি করতে পারবেন নিজের একটি ব্লগ। একেবারে নবীন থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ সবধরনের ব্লগারের জন্যই নানা সুবিধা সম্বলিত এই সেবাটি দেওয়া হয়েছে। এখানে সহজ কিছু বিল্ট-ইন টেমপ্লেট কাস্টমাইজ করে আপনি সাদামাটা ব্লগ থেকে শুরু করে থার্ডপার্টি টেমপ্লেট ব্যবহারের মাধ্যমে প্রফেশনাল লুকিং ব্লগ সবকিছুই করতে পারবেন। আপনার যদি ওয়েব ডেভেলপ/ডিজাইন সম্পর্কে কিছুটা ধারনা থাকে তাহলে বিল্ট-ইন ফিচারের পাশাপাশি আপনি এতে যোগ করতে পারবেন আরো অনেক ফিচার। এককথায় সকল শ্রেনীর ব্লগারের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই প্লাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে।
তাহলে আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক এধরনের কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস যেগুলো ফলো করে আপনি ব্লগে যুক্ত করতে পারবেন চমক লাগানো নানা ফিচার যা আপনার ব্লগের পাঠক থেকে শুরু করে সবাইকে মুগ্ধ করবে।
ব্লগার কি?
ব্লগার একটি জনপ্রিয় ব্লগিং প্লাটফর্ম যেখানে নিখরচায় ও সহজে আপনি ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। এটি মূলত 'পিরা ল্যাব' নামক একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্মিত যেটিকে ২০০৩ সালে কিনে নেয় গুগল। বর্তমানে এটি গুগলের একটি সার্ভিস হিসাবে চালু রয়েছে। আপনার যদি গুগল একাউন্ট (জিমেইল) থাকে তাহলে আপনি ব্লগারে সাইন-ইন করে তৈরি করতে পারবেন নিজের একটি ব্লগ। একেবারে নবীন থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ সবধরনের ব্লগারের জন্যই নানা সুবিধা সম্বলিত এই সেবাটি দেওয়া হয়েছে। এখানে সহজ কিছু বিল্ট-ইন টেমপ্লেট কাস্টমাইজ করে আপনি সাদামাটা ব্লগ থেকে শুরু করে থার্ডপার্টি টেমপ্লেট ব্যবহারের মাধ্যমে প্রফেশনাল লুকিং ব্লগ সবকিছুই করতে পারবেন। আপনার যদি ওয়েব ডেভেলপ/ডিজাইন সম্পর্কে কিছুটা ধারনা থাকে তাহলে বিল্ট-ইন ফিচারের পাশাপাশি আপনি এতে যোগ করতে পারবেন আরো অনেক ফিচার। এককথায় সকল শ্রেনীর ব্লগারের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই প্লাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে।
তাহলে আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক এধরনের কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস যেগুলো ফলো করে আপনি ব্লগে যুক্ত করতে পারবেন চমক লাগানো নানা ফিচার যা আপনার ব্লগের পাঠক থেকে শুরু করে সবাইকে মুগ্ধ করবে।
ট্যাগসমূহ:
উইন্ডোজ,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
টিপস,
ডিজাইন,
ব্লগিং,
লিনাক্স
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
উবুন্টুতে GTK এপ্লিকেশনের থিম সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান
আমার এই পোস্টটি উবুন্টুর জন্য লিখলেও যারা ওপেনসুয্যে, ফেডোরা বা অন্যান্য ডিস্ট্রো ব্যবহার করছেন এবং এধরনের সমস্যায় পড়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর। উবুন্টুতে যারা কেডিই ও গ্নোম দুটি ডেক্সটপ এনভায়রনমেন্ট একত্রে ব্যবহার করছেন এই সমস্যাটি তারা নিশ্চয় দেখে থাকবেন। যারা শুধু কেডিই বা শুধু গ্নোম ডেক্সটপ ব্যবহার করেন এই সমস্যাটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
আপনারা যারা উবুন্টুতে গ্নোম ও কেডিই দুটি ডেক্সটপ একত্রে ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় খেয়াল করছেন আপনি গ্নোমে যে থিমটি ব্যবহার করেন কেডিইতে GTK এপ্লিকেশন (যেমন- রিদমবক্স, টোটেম, পিজিন ইত্যাদি) চালানোর সময় সেই একই থিমটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু গ্নোম ও কেডিই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এনভায়রনমেন্ট, ফলে গ্নোমে ব্যবহৃত থিম অনেক সময়ই দেখা যায় কেডিইতে সুন্দর দেখায় না বা কেডিই এর সাথে খাপ খায় না।
ফলে কেডিইতে GTK এপ্লিকেশনগুলোর জন্য কেডিই এর সাথে খাপ খায় এমন কোন থিম ব্যবহার করলে সুন্দর দেখায় (যেমন- Clearlooks বা QtCurve)। কেডিইতে এসব এপ্লিকেশনের থিম পরিবর্তনের জন্য অনেকেই gtk-chtheme নামক প্যাকেজটি ব্যবহার করে থাকেন, এছাড়া কেডিই এর সিস্টেম সেটিংস থেকে Look & Feel--->GTK+ Appearance থেকেও অনেকে থিম চেঞ্জ করে থাকেন।কিন্তু এভাবে করার পর কি হয় দেখেছেন কি?
আপনারা যারা উবুন্টুতে গ্নোম ও কেডিই দুটি ডেক্সটপ একত্রে ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় খেয়াল করছেন আপনি গ্নোমে যে থিমটি ব্যবহার করেন কেডিইতে GTK এপ্লিকেশন (যেমন- রিদমবক্স, টোটেম, পিজিন ইত্যাদি) চালানোর সময় সেই একই থিমটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু গ্নোম ও কেডিই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এনভায়রনমেন্ট, ফলে গ্নোমে ব্যবহৃত থিম অনেক সময়ই দেখা যায় কেডিইতে সুন্দর দেখায় না বা কেডিই এর সাথে খাপ খায় না।
ফলে কেডিইতে GTK এপ্লিকেশনগুলোর জন্য কেডিই এর সাথে খাপ খায় এমন কোন থিম ব্যবহার করলে সুন্দর দেখায় (যেমন- Clearlooks বা QtCurve)। কেডিইতে এসব এপ্লিকেশনের থিম পরিবর্তনের জন্য অনেকেই gtk-chtheme নামক প্যাকেজটি ব্যবহার করে থাকেন, এছাড়া কেডিই এর সিস্টেম সেটিংস থেকে Look & Feel--->GTK+ Appearance থেকেও অনেকে থিম চেঞ্জ করে থাকেন।কিন্তু এভাবে করার পর কি হয় দেখেছেন কি?
ট্যাগসমূহ:
উবুন্টু,
ওপেনসুয্যে,
ওপেনসোর্স,
টিউটোরিয়াল,
ফেডোরা,
লিনাক্স
৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
সহজ ভাষায় টিউটোরিয়ালঃ উবুন্টুতে MySQL সার্ভার ইন্সটলেশন ও ব্যবহার
পরীক্ষার প্রয়োজনে সম্প্রতি ডেটাবেস নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে MySQL নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে, ফলে উবুন্টুতে ইন্সটল দিতে হয়েছে MySQL সার্ভার। কিভাবে উবুন্টুতে ধাপে ধাপে এই ইন্সটলেশনের কাজটি করবেন ও MySQL ব্যবহার করবেন সেটি যথাসম্ভব সবার উপযোগী করে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করাই আমার পোস্টের উদ্দেশ্য।
MySQL কি?
SQL (পূর্বনাম- Sequel) হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত আদর্শ রিলেশনাল ডেটাবেস ল্যাঙ্গুয়েজ। যার পূর্ণরুপ-Structured Query Language। আইবিএমের 'System R' প্রজেক্টের আওতায় এর জন্ম। পরবর্তীতে এটির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ANSI ও ISO এর যৌথ উদ্যোগে এর একটি স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন SQL-86 রিলিজ হয়। বর্তমানে নানা ধাপ পেরিয়ে এর ভার্সন SQL-2008 চলছে।
আর, MySQL হচ্ছে একটি জনপ্রিয় RDBMS (Relational Database Management System) যেটি সার্ভার হিসাবে রান করে। সম্পূর্ণ C/C++ ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত এই MySQL যেটি ডেভেলপ করা হয়েছে ওরাকল কর্পোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান MySQL AB কর্তৃক। বর্তমানে এর ভার্সন ৫.৫.x রয়েছে। এটির অন্যতম একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ওপেনসোর্স এবং মাল্টি-প্লাটফর্ম।
MySQL কি?
SQL (পূর্বনাম- Sequel) হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত আদর্শ রিলেশনাল ডেটাবেস ল্যাঙ্গুয়েজ। যার পূর্ণরুপ-Structured Query Language। আইবিএমের 'System R' প্রজেক্টের আওতায় এর জন্ম। পরবর্তীতে এটির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ANSI ও ISO এর যৌথ উদ্যোগে এর একটি স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন SQL-86 রিলিজ হয়। বর্তমানে নানা ধাপ পেরিয়ে এর ভার্সন SQL-2008 চলছে।
আর, MySQL হচ্ছে একটি জনপ্রিয় RDBMS (Relational Database Management System) যেটি সার্ভার হিসাবে রান করে। সম্পূর্ণ C/C++ ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত এই MySQL যেটি ডেভেলপ করা হয়েছে ওরাকল কর্পোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান MySQL AB কর্তৃক। বর্তমানে এর ভার্সন ৫.৫.x রয়েছে। এটির অন্যতম একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ওপেনসোর্স এবং মাল্টি-প্লাটফর্ম।