প্রিয় পাঠক, আপনারা নিশ্চয় অবগত আছেন যে, গত ২৬ এপ্রিল রিলিজ হয়েছে জনপ্রিয় ডেক্সটপ লিনাক্স ডিস্ট্রো উবুন্টুর ৪র্থ লং-টার্ম সার্ভিস সংস্করণ ১২.০৪ (প্রিসাইস প্যাঙ্গোলিন)। নতুন অনেক ফিচার সম্বলিত এই সংস্করণটি ইতিমধ্যেই ইউজারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। নিশ্চয় অনেকেই এটি ইন্সটল করেও ফেলেছেন, কিন্তু ইন্সটলের পর সিস্টেম কাজের উপযোগী করার জন্য কি কি কাজ গুরুত্বপূর্ন সেগুলা সঠিকভাবে জানা না থাকায় অনেক নতুন ব্যবহারকারী হিমশিম খান।
ইন্টারনেটে ইংরেজি ভাষায় এধরনের কাজের তালিকা সম্বলিত বেশকিছু পোস্ট পাওয়া যাবে, কিন্তু আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় এধরনের পোস্টের স্বল্পতা রয়েছে। সেটি মাথায় রেখেই আমি লিখতে বসেছি এই পোস্ট; এখানে আমি চেষ্টা করবো নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য উবুন্টু ১২.০৪ ইন্সটলের পর গুরুত্বপূর্ন কি কি কাজ করতে হবে সেটা যথাসাধ্য সহজ ভাষায় তুলে ধরার। এটি অবশ্য উবুন্টুর অন্যান্য সংস্করণগুলোর জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
তাহলে আসুন মূল পোস্টে যাওয়া যাক-
উবুন্টু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
উবুন্টু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
২৮ এপ্রিল, ২০১২
৯ এপ্রিল, ২০১২
রিভিউঃ ফুডুন্টু - অদ্ভুত নামের সিরিয়াস ডিস্ট্রো!
আবারো ফিরে এলাম লিনাক্স রিভিউ নিয়ে, আজ যে ডিস্ট্রো সম্পর্কে লিখবো এটি ততটা জনপ্রিয় কোন ডিস্ট্রো নয়, একেবারেই নতুন প্রজেক্টই বলা চলে; ক্যানোনিকাল, রেডহ্যাট, নভেলের মত বড় কোন কোম্পানীর সহায়তাও নেই এটির পিছনে। তবুও নতুন ডিস্ট্রো হিসাবে এটি যথেষ্ট ভালো করেছে এবং বর্তমানে আমি এটি ব্যবহার করছি।
দীর্ঘদিন উবুন্টু ব্যবহারের পর কিছুদিন বিরতি দিয়ে যখন ভাবছিলাম নতুন কোন ডিস্ট্রো দিবো তখনই আমি পরিচিত হই ফুডুন্টুর সাথে...অনেকটা উবুন্টুর নামের সাথে মিল রয়েছে বলে অনেকে এটিকে ভেবে নিতে পারেন আরো একটি উবুন্টু ফর্ক, কিন্তু মূলত তা নয়!
ফুডুন্টু একটি RPM প্যাকেজ ভিত্তিক ডিস্ট্রো যেটির জন্ম ফেডোরার উপর ভিত্তি করে, প্রথম ভার্সনটি মুক্তি পায় ২০১০ সালের নভেম্বরে। এরপর হাঁটি হাঁটি পা পা করে বেশ কিছু ভার্সন রিলিজের পর এটি ২০১১ সালের নভেম্বরে ফেডোরা ১৪ এর একটি রিমিক্স হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। এর ডেভেলপার এন্ড্রু ভয়েত মূলত চেয়েছিলেন ফেডোরা ও উবুন্টুর মাঝামাঝি ধরনের কোন ডিস্ট্রো বানাতে, এর ফলেই এটির নাম রাখা হয় ফুডুন্টু (ফেডোরা+উবুন্টু); ফেডোরার নীতি ও উবুন্টুর সহজবোধ্যতাকে একসাথে এনে নেটবুক ও নোটবুক কম্পিউটারের কথা মাথায় রেখে এটির জন্ম হয়েছিল।
সম্প্রতি এর নীতিতে পরিবর্তনের সুবাদে ২০১২ সালের শুরু থেকে এটি ফেডোরার রিমিক্সের পরিবর্তে স্বাধীন একটি ডিস্ট্রো হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং সেই সাথে আরো কিছু বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো এটিকে রোলিং রিলিজ হিসাবে ঘোষনা করা এবং ফেডোরা রিপোর পরিবর্তে নিজস্ব আলাদা রিপো প্রচলন।
দীর্ঘদিন উবুন্টু ব্যবহারের পর কিছুদিন বিরতি দিয়ে যখন ভাবছিলাম নতুন কোন ডিস্ট্রো দিবো তখনই আমি পরিচিত হই ফুডুন্টুর সাথে...অনেকটা উবুন্টুর নামের সাথে মিল রয়েছে বলে অনেকে এটিকে ভেবে নিতে পারেন আরো একটি উবুন্টু ফর্ক, কিন্তু মূলত তা নয়!
ফুডুন্টু একটি RPM প্যাকেজ ভিত্তিক ডিস্ট্রো যেটির জন্ম ফেডোরার উপর ভিত্তি করে, প্রথম ভার্সনটি মুক্তি পায় ২০১০ সালের নভেম্বরে। এরপর হাঁটি হাঁটি পা পা করে বেশ কিছু ভার্সন রিলিজের পর এটি ২০১১ সালের নভেম্বরে ফেডোরা ১৪ এর একটি রিমিক্স হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। এর ডেভেলপার এন্ড্রু ভয়েত মূলত চেয়েছিলেন ফেডোরা ও উবুন্টুর মাঝামাঝি ধরনের কোন ডিস্ট্রো বানাতে, এর ফলেই এটির নাম রাখা হয় ফুডুন্টু (ফেডোরা+উবুন্টু); ফেডোরার নীতি ও উবুন্টুর সহজবোধ্যতাকে একসাথে এনে নেটবুক ও নোটবুক কম্পিউটারের কথা মাথায় রেখে এটির জন্ম হয়েছিল।
সম্প্রতি এর নীতিতে পরিবর্তনের সুবাদে ২০১২ সালের শুরু থেকে এটি ফেডোরার রিমিক্সের পরিবর্তে স্বাধীন একটি ডিস্ট্রো হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং সেই সাথে আরো কিছু বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো এটিকে রোলিং রিলিজ হিসাবে ঘোষনা করা এবং ফেডোরা রিপোর পরিবর্তে নিজস্ব আলাদা রিপো প্রচলন।
২১ ডিসেম্বর, ২০১১
উবুন্টু/ডেবিয়ান লিনাক্সে ইন্সটল করুন ওরাকল জাভা ভার্সন ৭
জাভা একটি শক্তিশালী ক্রস প্লাটফর্ম অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। সফটওয়্যার ডেভেলপ, ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে আধুনিক কম্পিউটিংয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ লক্ষ্যনীয়। ওরাকল কর্পোরেশন কর্তৃক রিলিজকৃত JDK (Java Development Kit) হচ্ছে জাভা ডেভেলপারদের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয় একটু টুল। এর পাশাপাশি রয়েছে JRE (Java Runtime Environmet) যেটি ওয়েবব্রাউজার সমূহের জন্য জাভা প্লাগইন হিসাবে কাজ করে।
সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে ওরাকল জাভার নতুন ভার্সন ৭ যেটিতে পূর্বের ভার্সনের চেয়ে আরো বেশি ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে- নতুন প্রটোকল (যেমন- SCTP) সাপোর্ট, নতুন I/O লাইব্রেরি সাপোর্ট, JVM এ যুক্ত হয়েছে নতুন ডাইনামিক ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট, স্ট্রিং সুইচিং ইত্যাদি। ইতিমধ্যেই উইন্ডোজ, লিনাক্স সহ সকল প্লাটগফর্মের জন্য এই নতুন ভার্সনটা পাওয়া যাচ্ছে।
আমার আজকের পোস্টে আমি আলোচনা করবো কিভাবে আপনি উবুন্টু/ডেবিয়ান লিনাক্সে (ফেডোরা/ওপেনসুয্যের জন্য বাইনারি [rpm] রয়েছে, ফলে তাদের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়) ওরাকল জাভার (JDK ও JRE) নতুন এই ভার্সনটি ইন্সটল করবেন।
সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে ওরাকল জাভার নতুন ভার্সন ৭ যেটিতে পূর্বের ভার্সনের চেয়ে আরো বেশি ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে- নতুন প্রটোকল (যেমন- SCTP) সাপোর্ট, নতুন I/O লাইব্রেরি সাপোর্ট, JVM এ যুক্ত হয়েছে নতুন ডাইনামিক ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট, স্ট্রিং সুইচিং ইত্যাদি। ইতিমধ্যেই উইন্ডোজ, লিনাক্স সহ সকল প্লাটগফর্মের জন্য এই নতুন ভার্সনটা পাওয়া যাচ্ছে।
আমার আজকের পোস্টে আমি আলোচনা করবো কিভাবে আপনি উবুন্টু/ডেবিয়ান লিনাক্সে (ফেডোরা/ওপেনসুয্যের জন্য বাইনারি [rpm] রয়েছে, ফলে তাদের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়) ওরাকল জাভার (JDK ও JRE) নতুন এই ভার্সনটি ইন্সটল করবেন।
ট্যাগসমূহ:
ইন্টারনেট,
উবুন্টু,
ওপেনসোর্স,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
লিনাক্স
৯ জুন, ২০১১
টিউটোরিয়ালঃ ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রোতে পূর্নাঙ্গ ৩২-বিট সাপোর্ট এনাবল করা
আজ আবার আপনাদের সামনে এসেছি আরেকটি টিউটোরিয়াল নিয়ে। আপনারা অনেকেই নিশ্চয় অবগত আছেন, আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম ৩২-বিট ও ৬৪-বিট এই দুইভাগে বিভক্ত করা যায়। একসময় আমাদের দেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ কম্পিউটারেই ৩২-বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হতো, এমনকি বর্তমানেও এই ধারা অনেকটাই অব্যাহত আছে। কিন্তু উন্নত হার্ডওয়্যার সাপোর্টের এই যুগে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য অনেক ইউজারই ৬৪-বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার শুরু করেছেন। ৩২-বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৬৪-বিট এপ্লিকেশন চালানো যায় না, কিন্তু ৬৪-বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৩২-বিট এপ্লিকেশন সমূহ সহজেই চালানো যায় যদি সঠিক লাইব্রেরী ফাইলসমূহ ইন্সটল থাকে।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মত লিনাক্স ঘরানার অপারেটিং সিস্টেম বা ডিস্ট্রোগুলোও ৩২-বিটের পাশাপাশি ৬৪-বিট ভার্সন রিলিজ দেয় এবং অনেক ইউজারই এখন সেগুলো ইউজ করছেন। এখন এই ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রো ইউজারদের জন্য ডিস্ট্রোসমূহের রিপোতে তাদের আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ দেওয়া থাকে। কিন্তু তবুও কখনো কখনো বিশেষ প্রয়োজনে ৬৪-বিট ইউজারদের কিছু ৩২-বিট প্যাকেজ ইন্সটলের দরকার হয়ে পড়ে, বিশেষ করে- অনেক সফটওয়্যার ভেন্ডর তাদের সফটওয়্যারের কেবলমাত্র ৩২-বিট ভার্সন রিলিজ দেন (উদাহরনস্বরুপ- Yoono, Qnext ইত্যাদি), অর্থাৎ শুধুমাত্র ৩২-বিট আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ তারা সরবরাহ করেন। এখন এধরনের সফটওয়্যারসমূহ চালানোর প্রয়োজনে ৬৪-বিট ডিস্ট্রো ইউজারদের প্রয়োজনীয় ৩২-বিট লাইব্রেরী সমূহ ইন্সটল থাকা দরকার।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মত লিনাক্স ঘরানার অপারেটিং সিস্টেম বা ডিস্ট্রোগুলোও ৩২-বিটের পাশাপাশি ৬৪-বিট ভার্সন রিলিজ দেয় এবং অনেক ইউজারই এখন সেগুলো ইউজ করছেন। এখন এই ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রো ইউজারদের জন্য ডিস্ট্রোসমূহের রিপোতে তাদের আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ দেওয়া থাকে। কিন্তু তবুও কখনো কখনো বিশেষ প্রয়োজনে ৬৪-বিট ইউজারদের কিছু ৩২-বিট প্যাকেজ ইন্সটলের দরকার হয়ে পড়ে, বিশেষ করে- অনেক সফটওয়্যার ভেন্ডর তাদের সফটওয়্যারের কেবলমাত্র ৩২-বিট ভার্সন রিলিজ দেন (উদাহরনস্বরুপ- Yoono, Qnext ইত্যাদি), অর্থাৎ শুধুমাত্র ৩২-বিট আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ তারা সরবরাহ করেন। এখন এধরনের সফটওয়্যারসমূহ চালানোর প্রয়োজনে ৬৪-বিট ডিস্ট্রো ইউজারদের প্রয়োজনীয় ৩২-বিট লাইব্রেরী সমূহ ইন্সটল থাকা দরকার।
ট্যাগসমূহ:
উবুন্টু,
ওপেনসুয্যে,
ওপেনসোর্স,
টিউটোরিয়াল,
ফেডোরা,
লিনাক্স
২ মে, ২০১১
রিভিউঃ উবুন্টু ১১.০৪ ন্যাটি নারহোয়্যাল
গত ২৮শে এপ্রিল রিলিজ হয়েছে বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় ডেস্কটপ লিনাক্স ডিস্ট্রো উবুন্টুর ২০১১ সালের প্রথম ভার্সন ১১.০৪, যেটি উবুন্টুর ১৪ তম ভার্সন। ইতিমধ্যে অনেকেই নিশ্চয় এটি ব্যবহার করেও ফেলেছেন, গত প্রায় এক বছরের বেশি সময় যাবত উবুন্টু ১০.০৪ ব্যবহারের পর আমিও এটি ইন্সটল দিয়েছি সদ্য কেনা ল্যাপিতে। এটি ব্যবহারের পর এটির যেসব দিক আমার ভালো লেগেছে আর যেসব দিক ভালো লাগেনি সেসব নিয়ে আলোচনার জন্যই আমার এই পোস্ট। একজন সাধারন উবুন্টু ইউজারের দৃষ্টিকোণ থেকে উবুন্টুর এই ভার্সনটি সম্পর্কে আমার রিভিউ সবার সাথে শেয়ার করাই এই পোস্টের উদ্দেশ্য।
প্রথমেই বলে নিচ্ছি উবুন্টুর এই ভার্সনে প্রধান কি কি পরিবর্তন/ফিচার এসেছে গত ভার্সন থেকে-
প্রথমেই বলে নিচ্ছি উবুন্টুর এই ভার্সনে প্রধান কি কি পরিবর্তন/ফিচার এসেছে গত ভার্সন থেকে-
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
উবুন্টুতে GTK এপ্লিকেশনের থিম সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান
আমার এই পোস্টটি উবুন্টুর জন্য লিখলেও যারা ওপেনসুয্যে, ফেডোরা বা অন্যান্য ডিস্ট্রো ব্যবহার করছেন এবং এধরনের সমস্যায় পড়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর। উবুন্টুতে যারা কেডিই ও গ্নোম দুটি ডেক্সটপ এনভায়রনমেন্ট একত্রে ব্যবহার করছেন এই সমস্যাটি তারা নিশ্চয় দেখে থাকবেন। যারা শুধু কেডিই বা শুধু গ্নোম ডেক্সটপ ব্যবহার করেন এই সমস্যাটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
আপনারা যারা উবুন্টুতে গ্নোম ও কেডিই দুটি ডেক্সটপ একত্রে ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় খেয়াল করছেন আপনি গ্নোমে যে থিমটি ব্যবহার করেন কেডিইতে GTK এপ্লিকেশন (যেমন- রিদমবক্স, টোটেম, পিজিন ইত্যাদি) চালানোর সময় সেই একই থিমটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু গ্নোম ও কেডিই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এনভায়রনমেন্ট, ফলে গ্নোমে ব্যবহৃত থিম অনেক সময়ই দেখা যায় কেডিইতে সুন্দর দেখায় না বা কেডিই এর সাথে খাপ খায় না।
ফলে কেডিইতে GTK এপ্লিকেশনগুলোর জন্য কেডিই এর সাথে খাপ খায় এমন কোন থিম ব্যবহার করলে সুন্দর দেখায় (যেমন- Clearlooks বা QtCurve)। কেডিইতে এসব এপ্লিকেশনের থিম পরিবর্তনের জন্য অনেকেই gtk-chtheme নামক প্যাকেজটি ব্যবহার করে থাকেন, এছাড়া কেডিই এর সিস্টেম সেটিংস থেকে Look & Feel--->GTK+ Appearance থেকেও অনেকে থিম চেঞ্জ করে থাকেন।কিন্তু এভাবে করার পর কি হয় দেখেছেন কি?
আপনারা যারা উবুন্টুতে গ্নোম ও কেডিই দুটি ডেক্সটপ একত্রে ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় খেয়াল করছেন আপনি গ্নোমে যে থিমটি ব্যবহার করেন কেডিইতে GTK এপ্লিকেশন (যেমন- রিদমবক্স, টোটেম, পিজিন ইত্যাদি) চালানোর সময় সেই একই থিমটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু গ্নোম ও কেডিই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এনভায়রনমেন্ট, ফলে গ্নোমে ব্যবহৃত থিম অনেক সময়ই দেখা যায় কেডিইতে সুন্দর দেখায় না বা কেডিই এর সাথে খাপ খায় না।
ফলে কেডিইতে GTK এপ্লিকেশনগুলোর জন্য কেডিই এর সাথে খাপ খায় এমন কোন থিম ব্যবহার করলে সুন্দর দেখায় (যেমন- Clearlooks বা QtCurve)। কেডিইতে এসব এপ্লিকেশনের থিম পরিবর্তনের জন্য অনেকেই gtk-chtheme নামক প্যাকেজটি ব্যবহার করে থাকেন, এছাড়া কেডিই এর সিস্টেম সেটিংস থেকে Look & Feel--->GTK+ Appearance থেকেও অনেকে থিম চেঞ্জ করে থাকেন।কিন্তু এভাবে করার পর কি হয় দেখেছেন কি?
ট্যাগসমূহ:
উবুন্টু,
ওপেনসুয্যে,
ওপেনসোর্স,
টিউটোরিয়াল,
ফেডোরা,
লিনাক্স
৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
সহজ ভাষায় টিউটোরিয়ালঃ উবুন্টুতে MySQL সার্ভার ইন্সটলেশন ও ব্যবহার
পরীক্ষার প্রয়োজনে সম্প্রতি ডেটাবেস নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে MySQL নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে, ফলে উবুন্টুতে ইন্সটল দিতে হয়েছে MySQL সার্ভার। কিভাবে উবুন্টুতে ধাপে ধাপে এই ইন্সটলেশনের কাজটি করবেন ও MySQL ব্যবহার করবেন সেটি যথাসম্ভব সবার উপযোগী করে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করাই আমার পোস্টের উদ্দেশ্য।
MySQL কি?
SQL (পূর্বনাম- Sequel) হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত আদর্শ রিলেশনাল ডেটাবেস ল্যাঙ্গুয়েজ। যার পূর্ণরুপ-Structured Query Language। আইবিএমের 'System R' প্রজেক্টের আওতায় এর জন্ম। পরবর্তীতে এটির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ANSI ও ISO এর যৌথ উদ্যোগে এর একটি স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন SQL-86 রিলিজ হয়। বর্তমানে নানা ধাপ পেরিয়ে এর ভার্সন SQL-2008 চলছে।
আর, MySQL হচ্ছে একটি জনপ্রিয় RDBMS (Relational Database Management System) যেটি সার্ভার হিসাবে রান করে। সম্পূর্ণ C/C++ ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত এই MySQL যেটি ডেভেলপ করা হয়েছে ওরাকল কর্পোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান MySQL AB কর্তৃক। বর্তমানে এর ভার্সন ৫.৫.x রয়েছে। এটির অন্যতম একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ওপেনসোর্স এবং মাল্টি-প্লাটফর্ম।
MySQL কি?
SQL (পূর্বনাম- Sequel) হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত আদর্শ রিলেশনাল ডেটাবেস ল্যাঙ্গুয়েজ। যার পূর্ণরুপ-Structured Query Language। আইবিএমের 'System R' প্রজেক্টের আওতায় এর জন্ম। পরবর্তীতে এটির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ANSI ও ISO এর যৌথ উদ্যোগে এর একটি স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন SQL-86 রিলিজ হয়। বর্তমানে নানা ধাপ পেরিয়ে এর ভার্সন SQL-2008 চলছে।
আর, MySQL হচ্ছে একটি জনপ্রিয় RDBMS (Relational Database Management System) যেটি সার্ভার হিসাবে রান করে। সম্পূর্ণ C/C++ ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত এই MySQL যেটি ডেভেলপ করা হয়েছে ওরাকল কর্পোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান MySQL AB কর্তৃক। বর্তমানে এর ভার্সন ৫.৫.x রয়েছে। এটির অন্যতম একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ওপেনসোর্স এবং মাল্টি-প্লাটফর্ম।
২২ জানুয়ারি, ২০১১
Hotot: লিনাক্সের জন্য দারুন একটি ডেস্কটপ টুইটার ক্লায়েন্ট
আমাদের অনেকেরই টুইটারে একাউন্ট আছে। ফেসবুকের পাশাপাশি আমাদের দেশ সহ সারা বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগের সাইট হিসাবে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার ব্যাপক জনপ্রিয়। অনেকেই পিসিতে টুইটার ক্লায়েন্টের সাহায্যে টুইটার ব্যবহার করতে পছন্দ করে থাকেন। উইন্ডোজ প্লাটফর্মে বেশকিছু টুইটার ক্লায়েন্ট রয়েছে যেগুলো বেশ ফিচার-সমৃদ্ধ। এগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছে এডোব-এয়ার বেসড ক্লায়েন্টগুলো। আর এডোব-এয়ার ছাড়াও বেশকিছু ক্লায়েন্ট আছে। লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ফিচারসমৃদ্ধ টুইটার ক্লায়েন্টের অভাব ছিল আগে থেকেই। এডোব-এয়ার বেসড ক্লায়েন্টগুলো লিনাক্সে কাজ করলেও এডোব-এয়ার ছাড়া ভালোমানের টুইটার ক্লায়েন্টের অভাব অনুভূত হয়েছে অনেকবার। লিনাক্স ব্যবহারকারী টুইটার একাউন্টধারীদের ফিচারসমৃদ্ধ ডেস্কটপ টুইটার ক্লায়েন্টের অভাব দূর করতে এলো Hotot!