প্রতিবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রতিবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৭ মার্চ, ২০১২

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ঘিরে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক বিতর্ক এবং কিছু প্রাসঙ্গিক ভাবনা

ক্রিকেট বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। ইংরেজ আমলে উপমহাদেশে চালু হওয়া এই বিলাতী খেলা যতটা জনপ্রিয়তা এবং মিডিয়া আকর্ষণ পেয়েছে অন্য কোন খেলা ততটা পেতে পারেনি। দর্শক আগ্রহ, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, মিডিয়া, অর্থ এই খেলাকে করে তুলেছে তুমুল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে যতটুকু পরিচিত পেয়েছে তার সিংহভাগ মূলত ক্রিকেটের সুবাদে। বিশ্বকাপের মত বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরে বাংলাদেশ খেলেছে কেবল ক্রিকেটেই। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার আগে ও এর পর থেকে বাংলাদেশে এই খেলা নিয়ে যতটা প্যাশন তৈরি হয়েছে এরসাথে আর কোন খেলার তুলনা চলেনা বললেই চলে। বাংলাদেশ টিমের একেকজন ক্রিকেটার দেশের মানুষের কাছে একেকজন আইকন, এরাই দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন, এদের জয়ে আমরা আনন্দ করি আবার এদের পরাজয়ে আমরা বিমর্ষ হই।
১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাথে অবিস্মরণীয় সেই জয়, ২০০০ সালে মর্যাদাপূর্ন টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন, ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়া বধ, ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতকে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় করে দেওয়া সহ ক্রিকেটের সকল জয়ে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ উৎসবের আনন্দে ভেসেছে। দুঃখ-দারিদ্রপীড়িত এই দেশের মানুষ ক্রিকেটের মধ্যে খুঁজে পায় একটু আনন্দ, ক্রিকেট খেলা উপভোগ করে ক্ষণিকের জন্য ভুলে থাকতে চায় জীবনের সমস্যাগুলো। ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন মাঠে দর্শকদের উপস্থিতি এবং কোলাহল, পাড়ায় চায়ের দোকানে দল বেঁধে খেলা দেখা, ক্রিকেট নিয়ে বন্ধুদের আড্ডা মাতিয়ে তোলা, ইন্টারনেট/মোবাইলে ঘন ঘন স্কোর জেনে নেওয়া আমাদের জানান দেয় ক্রিকেটকে আমরা কতটা ভালোবাসি।

৩ মার্চ, ২০১২

ব্লগ সমাজ বদলের হাতিয়ার, তাহলে কেন এত অনীহা?

বাংলা ব্লগিং জগতে আমার পদার্পণ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথমদিকে, সালটা ২০০৮, শুরু থেকেই ব্লগে অন্যদের লিখা পড়তে ভালো লাগতো, তবে সরাসরি ব্লগে তেমন বেশি কিছু লিখা হয়নি, মূলত প্রযুক্তিবিষয়ক ফোরামগুলোতেই ছিলো আমার নিয়মিত পদচারণা। যেহেতু প্রযুক্তি বিষয়ে অধ্যয়নরত আছি সেহেতু প্রযুক্তি বিষয়ক ফোরাম ও ব্লগগুলোই আমাকে বেশি টানতো। ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দর্শণের সংস্পর্শে এসে আমার আগ্রহ জন্মালো রাজনীতি এবং সমাজনীতি বিষয়ে। তবে বাংলা ব্লগগুলোর পরিবেশ ও ব্যক্তিগত কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি এড়িয়ে চলার জন্য এসকল বিষয়ে লিখালিখি এড়িয়ে চলতাম। শুধু পড়েই ভালো লাগতো।

ব্লগিংকে সবসময়ই আমি মনে করি সমাজ বদলের হাতিয়ার, আধুনিক সমাজে বিক্ষুব্ধ তরুণ প্রজন্ম নিজেদের ক্ষোভ ও দাবিগুলো অনলাইনে ফুটিয়ে তুলে ব্লগের মাধ্যমেই। শাসকের শোষণ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তারুণ্যের দৃপ্ত উচ্চারণ একেকটি ব্লগ পোস্ট। ব্লগের ভূমিকা ব্যাপক, দেশের চলমান রাজনীতি, অর্থনীতি সহ নানা বিষয়ে মানুষের বিশেষত দেশের তরুণ প্রজন্মের ভাবনাগুলো আমরা জানতে পারি ব্লগগুলোর মাধ্যমেই। সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত আরব বসন্তে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন উক্ত দেশগুলোর ব্লগার সমাজ সহ তরুন প্রজন্মরাই। তাই নানাসময়ে প্রতিবাদী ব্লগার ও ব্লগগুলোর উপরে নেমে এসেছে শাসকের উৎপীড়ণ। নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে ব্লগের সাহসী ব্লগার ভাইদের। বাংলাদেশও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়।

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

১লা মার্চ ভারতীয় পণ্য বর্জন দিবস পালন করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ,
আপনারা সকলেই নিশ্চয় অবগত আছেন যে, বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশিদের হত্যা এবং নির্যাতনের প্রতিবাদে বাংলা ব্লগগুলোর অনলাইন এক্টিভিস্টদের ডাকে আগামীকাল ১লা মার্চ দেশব্যাপী ভারতীয় পণ্য/সেবা বর্জন দিবস পালন করার কর্মসূচী আহবান করা হয়েছে।



এদিন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক নির্যাতন ও হত্যার প্রতীকি প্রতিবাদ হিসাবে সকল প্রকার ভারতীয় পণ্য, সেবা ও বিনোদন মাধ্যম বর্জন করুন এবং আপনার পরিবার-সমাজ-বন্ধুমহলের সবাইকে বর্জন করতে উৎসাহিত করুন। পাশাপাশি ফেসবুক-গুগল প্লাস-টুইটার সহ সকল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম মারফত এই কর্মসূচী পালনের কথা সবখানে ছড়িয়ে দিন। নিজের ব্লগ, ফোরাম ও ওয়েবসাইটে এই কর্মসূচী পালনের বিষয়ে লিখুন।