ওপেনসোর্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ওপেনসোর্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২২ জুলাই, ২০১২

Linux Deepin : আকর্ষনীয় একটি লিনাক্স ডিস্ট্রো [রিভিউ]

প্রিয় পাঠক, আবারো নিয়ে আসলাম একটি  লিনাক্স ডিস্ট্রোর রিভিউ।
এই ডিস্ট্রোটি নতুন হলেও ইতমধ্যেই লিনাক্স প্রেমীদের নজর কেড়েছে।ভাবছেন কোন ডিস্ট্রোর কথা বলছি? শিরোনামে খেয়াল করুন, হাঁ, আমি আজ যে ডিস্ট্রো সম্পর্কে রিভিউ লিখতে বসেছি তার নাম Linux Deepin। চীনভিত্তিক এই ডিস্ট্রোটির জন্ম একদল বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ডেভেলপারের হাতে, এটির পূর্বনাম Hiweed GNU/Linux। মূলত চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারের লক্ষ্য নিয়ে এটি ডেভেলপ করা হলেও বর্তমানে এটি চীনের বাইরের ব্যবহারকারীদের কাছেও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সেই কারনেই শুরুতে ম্যান্ডারিন (চাইনিজ) ভাষার এই ডিস্ট্রোটি বর্তমানে আলাদা ইংরেজি ভাষার সংস্করণেও পাওয়া যাচ্ছে। দুটি ভিন্ন ভাষায় ISO আকারে এটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়। স্বভাবতই আমি ইংরেজি সংস্করণটি ব্যবহার করছি এবং সেটি থেকেই লিখছি।




গত ১৭ই জুলাই মুক্তি পেয়েছে এই ডিস্ট্রোটির নতুন সংস্করণ ১২.০৬, যেটি উবুন্টু প্রিসাইজ প্যাঙ্গোলিন (১২.০৪) এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। অর্থাৎ এই Linux Deepin ডিস্ট্রোটি একটি উবুন্টু ফর্ক।

২৮ এপ্রিল, ২০১২

উবুন্টু ১২.০৪ এলটিএস ইন্সটলের পর অবশ্য করণীয় ১০টি কাজ

প্রিয় পাঠক, আপনারা নিশ্চয় অবগত আছেন যে, গত ২৬ এপ্রিল রিলিজ হয়েছে জনপ্রিয় ডেক্সটপ লিনাক্স ডিস্ট্রো উবুন্টুর ৪র্থ লং-টার্ম সার্ভিস সংস্করণ ১২.০৪ (প্রিসাইস প্যাঙ্গোলিন)। নতুন অনেক ফিচার সম্বলিত এই সংস্করণটি ইতিমধ্যেই ইউজারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। নিশ্চয় অনেকেই এটি ইন্সটল করেও ফেলেছেন, কিন্তু ইন্সটলের পর সিস্টেম কাজের উপযোগী করার জন্য কি কি কাজ গুরুত্বপূর্ন সেগুলা সঠিকভাবে জানা না থাকায় অনেক নতুন ব্যবহারকারী হিমশিম খান।






ইন্টারনেটে ইংরেজি ভাষায় এধরনের কাজের তালিকা সম্বলিত বেশকিছু পোস্ট পাওয়া যাবে, কিন্তু আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় এধরনের পোস্টের স্বল্পতা রয়েছে। সেটি মাথায় রেখেই আমি লিখতে বসেছি এই পোস্ট; এখানে আমি চেষ্টা করবো নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য উবুন্টু ১২.০৪ ইন্সটলের পর গুরুত্বপূর্ন কি কি কাজ করতে হবে সেটা যথাসাধ্য সহজ ভাষায় তুলে ধরার। এটি অবশ্য উবুন্টুর অন্যান্য সংস্করণগুলোর জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।


তাহলে আসুন মূল পোস্টে যাওয়া যাক-

৯ এপ্রিল, ২০১২

রিভিউঃ ফুডুন্টু - অদ্ভুত নামের সিরিয়াস ডিস্ট্রো!

আবারো ফিরে এলাম লিনাক্স রিভিউ নিয়ে, আজ যে ডিস্ট্রো সম্পর্কে লিখবো এটি ততটা জনপ্রিয় কোন ডিস্ট্রো নয়, একেবারেই নতুন প্রজেক্টই বলা চলে; ক্যানোনিকাল, রেডহ্যাট, নভেলের মত বড় কোন কোম্পানীর সহায়তাও নেই এটির পিছনে। তবুও নতুন ডিস্ট্রো হিসাবে এটি যথেষ্ট ভালো করেছে এবং বর্তমানে আমি এটি ব্যবহার করছি।

দীর্ঘদিন উবুন্টু ব্যবহারের পর কিছুদিন বিরতি দিয়ে যখন ভাবছিলাম নতুন কোন ডিস্ট্রো দিবো তখনই আমি পরিচিত হই ফুডুন্টুর সাথে...অনেকটা উবুন্টুর নামের সাথে মিল রয়েছে বলে অনেকে এটিকে ভেবে নিতে পারেন আরো একটি উবুন্টু ফর্ক, কিন্তু মূলত তা নয়!




ফুডুন্টু একটি RPM প্যাকেজ ভিত্তিক ডিস্ট্রো যেটির জন্ম ফেডোরার উপর ভিত্তি করে, প্রথম ভার্সনটি মুক্তি পায় ২০১০ সালের নভেম্বরে। এরপর হাঁটি হাঁটি পা পা করে বেশ কিছু ভার্সন রিলিজের পর এটি ২০১১ সালের নভেম্বরে ফেডোরা ১৪ এর একটি রিমিক্স হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। এর ডেভেলপার এন্ড্রু ভয়েত মূলত চেয়েছিলেন ফেডোরা ও উবুন্টুর মাঝামাঝি ধরনের কোন ডিস্ট্রো বানাতে, এর ফলেই এটির নাম রাখা হয় ফুডুন্টু (ফেডোরা+উবুন্টু); ফেডোরার নীতি ও উবুন্টুর সহজবোধ্যতাকে একসাথে এনে নেটবুক ও নোটবুক কম্পিউটারের কথা মাথায় রেখে এটির জন্ম হয়েছিল।
সম্প্রতি এর নীতিতে পরিবর্তনের সুবাদে ২০১২ সালের শুরু থেকে এটি ফেডোরার রিমিক্সের পরিবর্তে স্বাধীন একটি ডিস্ট্রো হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং সেই সাথে আরো কিছু বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো এটিকে রোলিং রিলিজ হিসাবে ঘোষনা করা এবং ফেডোরা রিপোর পরিবর্তে নিজস্ব আলাদা রিপো প্রচলন।

২১ ডিসেম্বর, ২০১১

উবুন্টু/ডেবিয়ান লিনাক্সে ইন্সটল করুন ওরাকল জাভা ভার্সন ৭

জাভা একটি শক্তিশালী ক্রস প্লাটফর্ম অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। সফটওয়্যার ডেভেলপ, ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে আধুনিক কম্পিউটিংয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ লক্ষ্যনীয়। ওরাকল কর্পোরেশন কর্তৃক রিলিজকৃত JDK (Java Development Kit) হচ্ছে জাভা ডেভেলপারদের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয় একটু টুল। এর পাশাপাশি রয়েছে JRE (Java Runtime Environmet) যেটি ওয়েবব্রাউজার সমূহের জন্য জাভা প্লাগইন হিসাবে কাজ করে।



সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে ওরাকল জাভার নতুন ভার্সন ৭ যেটিতে পূর্বের ভার্সনের চেয়ে আরো বেশি ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে- নতুন প্রটোকল (যেমন- SCTP) সাপোর্ট, নতুন I/O লাইব্রেরি সাপোর্ট, JVM এ যুক্ত হয়েছে নতুন ডাইনামিক ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট, স্ট্রিং সুইচিং ইত্যাদি। ইতিমধ্যেই উইন্ডোজ, লিনাক্স সহ সকল প্লাটগফর্মের জন্য এই নতুন ভার্সনটা পাওয়া যাচ্ছে।

আমার আজকের পোস্টে আমি আলোচনা করবো কিভাবে আপনি উবুন্টু/ডেবিয়ান লিনাক্সে (ফেডোরা/ওপেনসুয্যের জন্য বাইনারি [rpm] রয়েছে, ফলে তাদের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়) ওরাকল জাভার (JDK ও JRE) নতুন এই ভার্সনটি ইন্সটল করবেন।

১৫ জুন, ২০১১

ফেডোরায় সাম্বা সার্ভার কনফিগারেশন এবং ফাইল শেয়ারিং

প্রিয় পাঠক, আজ আবারো আপনাদের সামনে এলাম আরেকটি টিউটোরিয়াল নিয়ে। এটি সাম্বা-সার্ভার কনফিগার এবং এর মাধ্যমে লিনাক্স এবং উইন্ডোজ মেশিনের মধ্যে ফাইল শেয়ারিং বিষয়ক। অনেক বাসায় কিংবা অফিসে (যেখানে একাধিক কম্পিউটার রয়েছে এবং যেগুলো একই নেটওয়ার্কের আওতায়) অনেক কম্পিউটারে উইন্ডোজ এবং অনেক কম্পিউটারে লিনাক্স ইন্সটল্ড থাকে, লিনাক্স থেকে লিনাক্স মেশিনে ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য বিশেষ কোন মেকানিজম দরকার না হলেও লিনাক্স থেকে উইন্ডোজ মেশিনে ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য সাম্বা-সার্ভার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আসুন প্রথমেই দেখি সাম্বা কি-


সাম্বা হচ্ছে SMB/CIFS Networking Protocol এর একটি ফ্রি সফটওয়্যার ইম্পলিমেন্টেশেন যেটি এন্ড্রু ট্রিগেল কর্তৃক উদ্ভাবিত। এর মাধ্যমে উইন্ডোজ ক্লায়েন্টের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিং করা যায় এবং এর মাধ্যমে উইন্ডোজ সার্ভার ডোমেইনে সহজেই কাজ করা যায়। বেশিরভাগ লিনাক্স/ইউনিক্স-লাইক সিস্টেমেই এটি কাজ করে। এমনকি এটি এপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমেও সমান কার্যকর। আজকাল বেশিরভাগ লিনাক্স ডিস্ট্রোতেই উইন্ডোজ মেশিনের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিংয়ের সুবিধার্থে এটি দেওয়া হয়ে থাকে। সাম্বা নামটি এসেছে SMB (Server Message Block) থেকে যেটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজের নেটওয়ার্ক ফাইল সিস্টেমের একটি প্রটোকল। সাম্বা ওপেনসোর্স এবং GNU GPL লাইসেন্সের আওতায় রিলিজকৃত। এর সর্বশেষ স্টেবল ভার্সন ৩.৫.৮।

৯ জুন, ২০১১

টিউটোরিয়ালঃ ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রোতে পূর্নাঙ্গ ৩২-বিট সাপোর্ট এনাবল করা

আজ আবার আপনাদের সামনে এসেছি আরেকটি টিউটোরিয়াল নিয়ে। আপনারা অনেকেই নিশ্চয় অবগত আছেন, আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম ৩২-বিট ও ৬৪-বিট এই দুইভাগে বিভক্ত করা যায়। একসময় আমাদের দেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ কম্পিউটারেই ৩২-বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হতো, এমনকি বর্তমানেও এই ধারা অনেকটাই অব্যাহত আছে। কিন্তু উন্নত হার্ডওয়্যার সাপোর্টের এই যুগে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য অনেক ইউজারই ৬৪-বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার শুরু করেছেন। ৩২-বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৬৪-বিট এপ্লিকেশন চালানো যায় না, কিন্তু ৬৪-বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৩২-বিট এপ্লিকেশন সমূহ সহজেই চালানো যায় যদি সঠিক লাইব্রেরী ফাইলসমূহ ইন্সটল থাকে।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মত লিনাক্স ঘরানার অপারেটিং সিস্টেম বা ডিস্ট্রোগুলোও ৩২-বিটের পাশাপাশি ৬৪-বিট ভার্সন রিলিজ দেয় এবং অনেক ইউজারই এখন সেগুলো ইউজ করছেন। এখন এই ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রো ইউজারদের জন্য ডিস্ট্রোসমূহের রিপোতে তাদের আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ দেওয়া থাকে। কিন্তু তবুও কখনো কখনো বিশেষ প্রয়োজনে ৬৪-বিট ইউজারদের কিছু ৩২-বিট প্যাকেজ ইন্সটলের দরকার হয়ে পড়ে, বিশেষ করে- অনেক সফটওয়্যার ভেন্ডর তাদের সফটওয়্যারের কেবলমাত্র ৩২-বিট ভার্সন রিলিজ দেন (উদাহরনস্বরুপ- Yoono, Qnext ইত্যাদি), অর্থাৎ শুধুমাত্র ৩২-বিট আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ তারা সরবরাহ করেন। এখন এধরনের সফটওয়্যারসমূহ চালানোর প্রয়োজনে ৬৪-বিট ডিস্ট্রো ইউজারদের প্রয়োজনীয় ৩২-বিট লাইব্রেরী সমূহ ইন্সটল থাকা দরকার।

২৭ মে, ২০১১

রিভিউঃ এসে গেলো বহুল আলোচিত ফেডোরা ১৫

 বহুল প্রতীক্ষিত রেডহ্যাটের অনুদানকৃত কমিউনিটিভিত্তিক জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রো ফেডোরার ১৫তম ভার্সন মুক্তি পেয়েছে গত ২৪শে মে। এই ভার্সনে বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যেগুলো ইতিমধ্যেই সকলের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। উবুন্টুর পাশাপাশি আমিও ইন্সটল করলাম ফেডোরার এই নতুন ভার্সনটি। প্রথমেই নজর কাড়া গ্নোম ৩ ইন্টারফেস দেখে ভালো লেগে গেলো। তাই এই নতুন ভার্সনটির বিভিন্ন ফিচার ও কি কি ভালো লেগেছে বা কি কি ভালো লাগেনি ইত্যাদি বিষয় সবার সাথে শেয়ার করার জন্য আমার এই পোস্ট। তাহলে আসুন শুরু করা যাক-



প্রথমেই আমরা দেখে নিবো কি কি নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে ফেডোরার এই ভার্সনেঃ

২ মে, ২০১১

রিভিউঃ উবুন্টু ১১.০৪ ন্যাটি নারহোয়্যাল

গত ২৮শে এপ্রিল রিলিজ হয়েছে বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় ডেস্কটপ লিনাক্স ডিস্ট্রো উবুন্টুর ২০১১ সালের প্রথম ভার্সন ১১.০৪, যেটি উবুন্টুর ১৪ তম ভার্সন। ইতিমধ্যে অনেকেই নিশ্চয় এটি ব্যবহার করেও ফেলেছেন, গত প্রায় এক বছরের বেশি সময় যাবত উবুন্টু ১০.০৪ ব্যবহারের পর আমিও এটি ইন্সটল দিয়েছি সদ্য কেনা ল্যাপিতে। এটি ব্যবহারের পর এটির যেসব দিক আমার ভালো লেগেছে আর যেসব দিক ভালো লাগেনি সেসব নিয়ে আলোচনার জন্যই আমার এই পোস্ট। একজন সাধারন উবুন্টু ইউজারের দৃষ্টিকোণ থেকে উবুন্টুর এই ভার্সনটি সম্পর্কে আমার রিভিউ সবার সাথে শেয়ার করাই এই পোস্টের উদ্দেশ্য।





প্রথমেই বলে নিচ্ছি উবুন্টুর এই ভার্সনে প্রধান কি কি পরিবর্তন/ফিচার এসেছে গত ভার্সন থেকে-

২৩ মার্চ, ২০১১

বাড়িয়ে দিন মজিলা ফায়ারফক্সের গতি!

মজিলা ফায়ারফক্স বিশ্বব্যাপী বর্তমানে তুমুল জনপ্রিয় একটি ওয়েব ব্রাউজার। মাইক্রোসফট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের একসময়ের একচ্ছত্র আধিপত্য ভেঙ্গে বর্তমানে এটি ব্রাউজার মার্কেটে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রাউজার মার্কেটে এর বর্তমান ইউজার শেয়ার প্রায় ৩০% যেটি ইউজার শেয়ারের দিক থেকে ২য় অবস্থানে রয়েছে। মাল্টিপ্লাটফর্ম হওয়ার সুবাদে অনেকেই উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক সবখানেই ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন ওয়েব ব্রাউজার হিসাবে। বিশেষ করে বেশিরভাগ মেইনস্ট্রিম লিনাক্স ডিস্ট্রোর সাথে ডিফল্ট ব্রাউজার হিসাবে ফায়ারফক্স থাকায় লিনাক্স ব্যবহারকারীদের কাছে এর জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। পাশাপাশি উইন্ডোজ/ম্যাক ইউজারদের কাছেও এটি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছে।


 নানাধরনের ফিচার-এডঅন ইত্যাদি সমৃদ্ধ এই ওয়েব ব্রাউজারটি যথেষ্ট দ্রুতগতির। কিন্তু আপনি কি জানেন কিছু সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি এটিকে করে তুলতে পারেন আরো দ্রুতগতিসম্পন্ন? হাঁ পাঠক, আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে কিছু সেটিংসের পরিবর্তন এটিকে করে তুলতে পারে আরো দ্রুত! এই টিপসগুলো সকল প্লাটফর্মের জন্যই প্রযোজ্য। আপনি যদি কোন কারনে আপনার সিস্টেমে মজিলা ফায়ারফক্সের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকেন তাহলে এই টিপসগুলো অনুসরণ করে দেখতে পারেন, আশা করছি কিছুটা হলেও ভালো ফল পাবেন। তাহলে আসুন শুরু করা যাক-

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

উবুন্টুতে GTK এপ্লিকেশনের থিম সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান

আমার এই পোস্টটি উবুন্টুর জন্য লিখলেও যারা ওপেনসুয্যে, ফেডোরা বা অন্যান্য ডিস্ট্রো ব্যবহার করছেন এবং এধরনের সমস্যায় পড়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর। উবুন্টুতে যারা কেডিই ও গ্নোম দুটি ডেক্সটপ এনভায়রনমেন্ট একত্রে ব্যবহার করছেন এই সমস্যাটি তারা নিশ্চয় দেখে থাকবেন। যারা শুধু কেডিই বা শুধু গ্নোম ডেক্সটপ ব্যবহার করেন এই সমস্যাটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
আপনারা যারা উবুন্টুতে গ্নোম ও কেডিই দুটি ডেক্সটপ একত্রে ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় খেয়াল করছেন আপনি গ্নোমে যে থিমটি ব্যবহার করেন কেডিইতে GTK এপ্লিকেশন (যেমন- রিদমবক্স, টোটেম, পিজিন ইত্যাদি) চালানোর সময় সেই একই থিমটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু গ্নোম ও কেডিই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এনভায়রনমেন্ট, ফলে গ্নোমে ব্যবহৃত থিম অনেক সময়ই দেখা যায় কেডিইতে সুন্দর দেখায় না বা কেডিই এর সাথে খাপ খায় না।
ফলে কেডিইতে GTK এপ্লিকেশনগুলোর জন্য কেডিই এর সাথে খাপ খায় এমন কোন থিম ব্যবহার করলে সুন্দর দেখায় (যেমন- Clearlooks বা QtCurve)। কেডিইতে এসব এপ্লিকেশনের থিম পরিবর্তনের জন্য অনেকেই gtk-chtheme নামক প্যাকেজটি ব্যবহার করে থাকেন, এছাড়া কেডিই এর সিস্টেম সেটিংস থেকে Look & Feel--->GTK+ Appearance থেকেও অনেকে থিম চেঞ্জ করে থাকেন।কিন্তু এভাবে করার পর কি হয় দেখেছেন কি?

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

সহজ ভাষায় টিউটোরিয়ালঃ উবুন্টুতে MySQL সার্ভার ইন্সটলেশন ও ব্যবহার

পরীক্ষার প্রয়োজনে সম্প্রতি ডেটাবেস নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে MySQL নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে, ফলে উবুন্টুতে ইন্সটল দিতে হয়েছে MySQL সার্ভার। কিভাবে উবুন্টুতে ধাপে ধাপে এই ইন্সটলেশনের কাজটি করবেন ও MySQL ব্যবহার করবেন সেটি যথাসম্ভব সবার উপযোগী করে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করাই আমার পোস্টের উদ্দেশ্য।

MySQL কি?
SQL (পূর্বনাম- Sequel) হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত আদর্শ রিলেশনাল ডেটাবেস ল্যাঙ্গুয়েজ। যার পূর্ণরুপ-Structured Query Language। আইবিএমের 'System R' প্রজেক্টের আওতায় এর জন্ম। পরবর্তীতে এটির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ANSI ও ISO এর যৌথ উদ্যোগে এর একটি স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন SQL-86 রিলিজ হয়। বর্তমানে নানা ধাপ পেরিয়ে এর ভার্সন SQL-2008 চলছে।
আর, MySQL হচ্ছে একটি জনপ্রিয় RDBMS (Relational Database Management System) যেটি সার্ভার হিসাবে রান করে। সম্পূর্ণ C/C++ ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত এই MySQL যেটি ডেভেলপ করা হয়েছে  ওরাকল কর্পোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান MySQL AB কর্তৃক। বর্তমানে এর ভার্সন ৫.৫.x রয়েছে। এটির অন্যতম একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ওপেনসোর্স এবং মাল্টি-প্লাটফর্ম।