দীর্ঘদিন যাবত নানা কিসিমের হলিউডি মুভি দেখে দেখে প্রায় নেশার মত হয়ে গিয়েছে। নতুন কোন মুভি রিলিজ হলে সেটা না দেখা পর্যন্ত শান্তি পাইনা, বিশেষ করে সেটি যদি হয় আলোচিত-সমালোচিত কোন মুভি। পেশায় ছাত্র, ফলে গাঁটের পয়সা খরচ করে ঢাকার বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে গিয়ে মুভি দেখা পোষায় না (হলিউডি মুভিগুলো এখানে ছাড়া আর কোন সিনেমা হলে দেখায় কিনা জানিও না), ফলে বাসার বাংলালায়ন ইন্টারনেট সংযোগটাই আমার ভরসা! ইন্টারনেট থেকে মুভি ডাউনলোড করি (যেটিকে আবার অনেকে নাক ছিঁটকে বলেন 'পাইরেসি') আর ল্যাপিতে বসে দেখি।
এরকমই একটি আলোচিত-সমালোচিত হলিউডি মুভি নিয়েই আমার আজকের রিভিউ, শিরোনামে দেখতে পাচ্ছেন মুভির নাম 'দ্য হাঙ্গার গেমস', যার বাংলা করলে দাঁড়ায়- ক্ষুধার্ত ক্রীড়া বা এধরনের কিছু একটা। কিন্তু আমার মতে এই মুভির সঠিক নাম হওয়া উচিত ছিলো 'যত গর্জে তত বর্ষে না'। একথা কেন বলছি?
এর কারন এই মুভি রিলিজের আগে ও পরে ইন্টারনেটে এটি নিয়ে বিস্তর সমালোচনা-আলোচনা দেখেছি, ব্লগ-ফোরাম-ফেসবুক-টুইটার থেকে শুরু করে সবখানে এই মুভির ভক্তগোষ্ঠীদের (বিশেষত নারী সমাজ) অতি-উৎসাহ নিশ্চয় অনেকেরই চোখে পড়েছে। এই মুভিটি হেন, এই মুভিট তেন, এই মুভিটি নারীবাদী মুভি ইত্যাদি ইত্যাদি নানা আলোচনা দেখে নিজেই ভাবছিলাম কি আছে এই মুভিতে? এটাতো অবশ্যই দেখা দরকার।
আলোচনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আলোচনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
৮ আগস্ট, ২০১২
৭ মার্চ, ২০১২
বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ঘিরে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক বিতর্ক এবং কিছু প্রাসঙ্গিক ভাবনা
ক্রিকেট বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। ইংরেজ আমলে উপমহাদেশে চালু হওয়া এই বিলাতী খেলা যতটা জনপ্রিয়তা এবং মিডিয়া আকর্ষণ পেয়েছে অন্য কোন খেলা ততটা পেতে পারেনি। দর্শক আগ্রহ, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, মিডিয়া, অর্থ এই খেলাকে করে তুলেছে তুমুল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে যতটুকু পরিচিত পেয়েছে তার সিংহভাগ মূলত ক্রিকেটের সুবাদে। বিশ্বকাপের মত বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরে বাংলাদেশ খেলেছে কেবল ক্রিকেটেই। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার আগে ও এর পর থেকে বাংলাদেশে এই খেলা নিয়ে যতটা প্যাশন তৈরি হয়েছে এরসাথে আর কোন খেলার তুলনা চলেনা বললেই চলে। বাংলাদেশ টিমের একেকজন ক্রিকেটার দেশের মানুষের কাছে একেকজন আইকন, এরাই দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন, এদের জয়ে আমরা আনন্দ করি আবার এদের পরাজয়ে আমরা বিমর্ষ হই।
১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাথে অবিস্মরণীয় সেই জয়, ২০০০ সালে মর্যাদাপূর্ন টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন, ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়া বধ, ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতকে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় করে দেওয়া সহ ক্রিকেটের সকল জয়ে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ উৎসবের আনন্দে ভেসেছে। দুঃখ-দারিদ্রপীড়িত এই দেশের মানুষ ক্রিকেটের মধ্যে খুঁজে পায় একটু আনন্দ, ক্রিকেট খেলা উপভোগ করে ক্ষণিকের জন্য ভুলে থাকতে চায় জীবনের সমস্যাগুলো। ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন মাঠে দর্শকদের উপস্থিতি এবং কোলাহল, পাড়ায় চায়ের দোকানে দল বেঁধে খেলা দেখা, ক্রিকেট নিয়ে বন্ধুদের আড্ডা মাতিয়ে তোলা, ইন্টারনেট/মোবাইলে ঘন ঘন স্কোর জেনে নেওয়া আমাদের জানান দেয় ক্রিকেটকে আমরা কতটা ভালোবাসি।
১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাথে অবিস্মরণীয় সেই জয়, ২০০০ সালে মর্যাদাপূর্ন টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন, ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়া বধ, ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতকে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় করে দেওয়া সহ ক্রিকেটের সকল জয়ে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ উৎসবের আনন্দে ভেসেছে। দুঃখ-দারিদ্রপীড়িত এই দেশের মানুষ ক্রিকেটের মধ্যে খুঁজে পায় একটু আনন্দ, ক্রিকেট খেলা উপভোগ করে ক্ষণিকের জন্য ভুলে থাকতে চায় জীবনের সমস্যাগুলো। ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন মাঠে দর্শকদের উপস্থিতি এবং কোলাহল, পাড়ায় চায়ের দোকানে দল বেঁধে খেলা দেখা, ক্রিকেট নিয়ে বন্ধুদের আড্ডা মাতিয়ে তোলা, ইন্টারনেট/মোবাইলে ঘন ঘন স্কোর জেনে নেওয়া আমাদের জানান দেয় ক্রিকেটকে আমরা কতটা ভালোবাসি।