ফেডোরা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফেডোরা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৯ এপ্রিল, ২০১২

রিভিউঃ ফুডুন্টু - অদ্ভুত নামের সিরিয়াস ডিস্ট্রো!

আবারো ফিরে এলাম লিনাক্স রিভিউ নিয়ে, আজ যে ডিস্ট্রো সম্পর্কে লিখবো এটি ততটা জনপ্রিয় কোন ডিস্ট্রো নয়, একেবারেই নতুন প্রজেক্টই বলা চলে; ক্যানোনিকাল, রেডহ্যাট, নভেলের মত বড় কোন কোম্পানীর সহায়তাও নেই এটির পিছনে। তবুও নতুন ডিস্ট্রো হিসাবে এটি যথেষ্ট ভালো করেছে এবং বর্তমানে আমি এটি ব্যবহার করছি।

দীর্ঘদিন উবুন্টু ব্যবহারের পর কিছুদিন বিরতি দিয়ে যখন ভাবছিলাম নতুন কোন ডিস্ট্রো দিবো তখনই আমি পরিচিত হই ফুডুন্টুর সাথে...অনেকটা উবুন্টুর নামের সাথে মিল রয়েছে বলে অনেকে এটিকে ভেবে নিতে পারেন আরো একটি উবুন্টু ফর্ক, কিন্তু মূলত তা নয়!




ফুডুন্টু একটি RPM প্যাকেজ ভিত্তিক ডিস্ট্রো যেটির জন্ম ফেডোরার উপর ভিত্তি করে, প্রথম ভার্সনটি মুক্তি পায় ২০১০ সালের নভেম্বরে। এরপর হাঁটি হাঁটি পা পা করে বেশ কিছু ভার্সন রিলিজের পর এটি ২০১১ সালের নভেম্বরে ফেডোরা ১৪ এর একটি রিমিক্স হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। এর ডেভেলপার এন্ড্রু ভয়েত মূলত চেয়েছিলেন ফেডোরা ও উবুন্টুর মাঝামাঝি ধরনের কোন ডিস্ট্রো বানাতে, এর ফলেই এটির নাম রাখা হয় ফুডুন্টু (ফেডোরা+উবুন্টু); ফেডোরার নীতি ও উবুন্টুর সহজবোধ্যতাকে একসাথে এনে নেটবুক ও নোটবুক কম্পিউটারের কথা মাথায় রেখে এটির জন্ম হয়েছিল।
সম্প্রতি এর নীতিতে পরিবর্তনের সুবাদে ২০১২ সালের শুরু থেকে এটি ফেডোরার রিমিক্সের পরিবর্তে স্বাধীন একটি ডিস্ট্রো হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং সেই সাথে আরো কিছু বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো এটিকে রোলিং রিলিজ হিসাবে ঘোষনা করা এবং ফেডোরা রিপোর পরিবর্তে নিজস্ব আলাদা রিপো প্রচলন।

১৫ জুন, ২০১১

ফেডোরায় সাম্বা সার্ভার কনফিগারেশন এবং ফাইল শেয়ারিং

প্রিয় পাঠক, আজ আবারো আপনাদের সামনে এলাম আরেকটি টিউটোরিয়াল নিয়ে। এটি সাম্বা-সার্ভার কনফিগার এবং এর মাধ্যমে লিনাক্স এবং উইন্ডোজ মেশিনের মধ্যে ফাইল শেয়ারিং বিষয়ক। অনেক বাসায় কিংবা অফিসে (যেখানে একাধিক কম্পিউটার রয়েছে এবং যেগুলো একই নেটওয়ার্কের আওতায়) অনেক কম্পিউটারে উইন্ডোজ এবং অনেক কম্পিউটারে লিনাক্স ইন্সটল্ড থাকে, লিনাক্স থেকে লিনাক্স মেশিনে ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য বিশেষ কোন মেকানিজম দরকার না হলেও লিনাক্স থেকে উইন্ডোজ মেশিনে ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য সাম্বা-সার্ভার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আসুন প্রথমেই দেখি সাম্বা কি-


সাম্বা হচ্ছে SMB/CIFS Networking Protocol এর একটি ফ্রি সফটওয়্যার ইম্পলিমেন্টেশেন যেটি এন্ড্রু ট্রিগেল কর্তৃক উদ্ভাবিত। এর মাধ্যমে উইন্ডোজ ক্লায়েন্টের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিং করা যায় এবং এর মাধ্যমে উইন্ডোজ সার্ভার ডোমেইনে সহজেই কাজ করা যায়। বেশিরভাগ লিনাক্স/ইউনিক্স-লাইক সিস্টেমেই এটি কাজ করে। এমনকি এটি এপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমেও সমান কার্যকর। আজকাল বেশিরভাগ লিনাক্স ডিস্ট্রোতেই উইন্ডোজ মেশিনের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিংয়ের সুবিধার্থে এটি দেওয়া হয়ে থাকে। সাম্বা নামটি এসেছে SMB (Server Message Block) থেকে যেটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজের নেটওয়ার্ক ফাইল সিস্টেমের একটি প্রটোকল। সাম্বা ওপেনসোর্স এবং GNU GPL লাইসেন্সের আওতায় রিলিজকৃত। এর সর্বশেষ স্টেবল ভার্সন ৩.৫.৮।

৯ জুন, ২০১১

টিউটোরিয়ালঃ ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রোতে পূর্নাঙ্গ ৩২-বিট সাপোর্ট এনাবল করা

আজ আবার আপনাদের সামনে এসেছি আরেকটি টিউটোরিয়াল নিয়ে। আপনারা অনেকেই নিশ্চয় অবগত আছেন, আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম ৩২-বিট ও ৬৪-বিট এই দুইভাগে বিভক্ত করা যায়। একসময় আমাদের দেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ কম্পিউটারেই ৩২-বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হতো, এমনকি বর্তমানেও এই ধারা অনেকটাই অব্যাহত আছে। কিন্তু উন্নত হার্ডওয়্যার সাপোর্টের এই যুগে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য অনেক ইউজারই ৬৪-বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার শুরু করেছেন। ৩২-বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৬৪-বিট এপ্লিকেশন চালানো যায় না, কিন্তু ৬৪-বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৩২-বিট এপ্লিকেশন সমূহ সহজেই চালানো যায় যদি সঠিক লাইব্রেরী ফাইলসমূহ ইন্সটল থাকে।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মত লিনাক্স ঘরানার অপারেটিং সিস্টেম বা ডিস্ট্রোগুলোও ৩২-বিটের পাশাপাশি ৬৪-বিট ভার্সন রিলিজ দেয় এবং অনেক ইউজারই এখন সেগুলো ইউজ করছেন। এখন এই ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রো ইউজারদের জন্য ডিস্ট্রোসমূহের রিপোতে তাদের আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ দেওয়া থাকে। কিন্তু তবুও কখনো কখনো বিশেষ প্রয়োজনে ৬৪-বিট ইউজারদের কিছু ৩২-বিট প্যাকেজ ইন্সটলের দরকার হয়ে পড়ে, বিশেষ করে- অনেক সফটওয়্যার ভেন্ডর তাদের সফটওয়্যারের কেবলমাত্র ৩২-বিট ভার্সন রিলিজ দেন (উদাহরনস্বরুপ- Yoono, Qnext ইত্যাদি), অর্থাৎ শুধুমাত্র ৩২-বিট আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ তারা সরবরাহ করেন। এখন এধরনের সফটওয়্যারসমূহ চালানোর প্রয়োজনে ৬৪-বিট ডিস্ট্রো ইউজারদের প্রয়োজনীয় ৩২-বিট লাইব্রেরী সমূহ ইন্সটল থাকা দরকার।

২৭ মে, ২০১১

রিভিউঃ এসে গেলো বহুল আলোচিত ফেডোরা ১৫

 বহুল প্রতীক্ষিত রেডহ্যাটের অনুদানকৃত কমিউনিটিভিত্তিক জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রো ফেডোরার ১৫তম ভার্সন মুক্তি পেয়েছে গত ২৪শে মে। এই ভার্সনে বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যেগুলো ইতিমধ্যেই সকলের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। উবুন্টুর পাশাপাশি আমিও ইন্সটল করলাম ফেডোরার এই নতুন ভার্সনটি। প্রথমেই নজর কাড়া গ্নোম ৩ ইন্টারফেস দেখে ভালো লেগে গেলো। তাই এই নতুন ভার্সনটির বিভিন্ন ফিচার ও কি কি ভালো লেগেছে বা কি কি ভালো লাগেনি ইত্যাদি বিষয় সবার সাথে শেয়ার করার জন্য আমার এই পোস্ট। তাহলে আসুন শুরু করা যাক-



প্রথমেই আমরা দেখে নিবো কি কি নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে ফেডোরার এই ভার্সনেঃ

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

উবুন্টুতে GTK এপ্লিকেশনের থিম সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান

আমার এই পোস্টটি উবুন্টুর জন্য লিখলেও যারা ওপেনসুয্যে, ফেডোরা বা অন্যান্য ডিস্ট্রো ব্যবহার করছেন এবং এধরনের সমস্যায় পড়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর। উবুন্টুতে যারা কেডিই ও গ্নোম দুটি ডেক্সটপ এনভায়রনমেন্ট একত্রে ব্যবহার করছেন এই সমস্যাটি তারা নিশ্চয় দেখে থাকবেন। যারা শুধু কেডিই বা শুধু গ্নোম ডেক্সটপ ব্যবহার করেন এই সমস্যাটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
আপনারা যারা উবুন্টুতে গ্নোম ও কেডিই দুটি ডেক্সটপ একত্রে ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় খেয়াল করছেন আপনি গ্নোমে যে থিমটি ব্যবহার করেন কেডিইতে GTK এপ্লিকেশন (যেমন- রিদমবক্স, টোটেম, পিজিন ইত্যাদি) চালানোর সময় সেই একই থিমটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু গ্নোম ও কেডিই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এনভায়রনমেন্ট, ফলে গ্নোমে ব্যবহৃত থিম অনেক সময়ই দেখা যায় কেডিইতে সুন্দর দেখায় না বা কেডিই এর সাথে খাপ খায় না।
ফলে কেডিইতে GTK এপ্লিকেশনগুলোর জন্য কেডিই এর সাথে খাপ খায় এমন কোন থিম ব্যবহার করলে সুন্দর দেখায় (যেমন- Clearlooks বা QtCurve)। কেডিইতে এসব এপ্লিকেশনের থিম পরিবর্তনের জন্য অনেকেই gtk-chtheme নামক প্যাকেজটি ব্যবহার করে থাকেন, এছাড়া কেডিই এর সিস্টেম সেটিংস থেকে Look & Feel--->GTK+ Appearance থেকেও অনেকে থিম চেঞ্জ করে থাকেন।কিন্তু এভাবে করার পর কি হয় দেখেছেন কি?

২২ জানুয়ারি, ২০১১

Hotot: লিনাক্সের জন্য দারুন একটি ডেস্কটপ টুইটার ক্লায়েন্ট

আমাদের অনেকেরই টুইটারে একাউন্ট আছে। ফেসবুকের পাশাপাশি আমাদের দেশ সহ সারা বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগের সাইট হিসাবে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার ব্যাপক জনপ্রিয়। অনেকেই পিসিতে টুইটার ক্লায়েন্টের সাহায্যে টুইটার ব্যবহার করতে পছন্দ করে থাকেন। উইন্ডোজ প্লাটফর্মে বেশকিছু টুইটার ক্লায়েন্ট রয়েছে যেগুলো বেশ ফিচার-সমৃদ্ধ। এগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছে এডোব-এয়ার বেসড ক্লায়েন্টগুলো। আর এডোব-এয়ার ছাড়াও বেশকিছু ক্লায়েন্ট আছে। লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ফিচারসমৃদ্ধ টুইটার ক্লায়েন্টের অভাব ছিল আগে থেকেই। এডোব-এয়ার বেসড ক্লায়েন্টগুলো লিনাক্সে কাজ করলেও এডোব-এয়ার ছাড়া ভালোমানের টুইটার ক্লায়েন্টের অভাব অনুভূত হয়েছে অনেকবার। লিনাক্স ব্যবহারকারী টুইটার একাউন্টধারীদের ফিচারসমৃদ্ধ ডেস্কটপ টুইটার ক্লায়েন্টের অভাব দূর করতে এলো Hotot!