দীর্ঘদিন যাবত নানা কিসিমের হলিউডি মুভি দেখে দেখে প্রায় নেশার মত হয়ে গিয়েছে। নতুন কোন মুভি রিলিজ হলে সেটা না দেখা পর্যন্ত শান্তি পাইনা, বিশেষ করে সেটি যদি হয় আলোচিত-সমালোচিত কোন মুভি। পেশায় ছাত্র, ফলে গাঁটের পয়সা খরচ করে ঢাকার বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে গিয়ে মুভি দেখা পোষায় না (হলিউডি মুভিগুলো এখানে ছাড়া আর কোন সিনেমা হলে দেখায় কিনা জানিও না), ফলে বাসার বাংলালায়ন ইন্টারনেট সংযোগটাই আমার ভরসা! ইন্টারনেট থেকে মুভি ডাউনলোড করি (যেটিকে আবার অনেকে নাক ছিঁটকে বলেন 'পাইরেসি') আর ল্যাপিতে বসে দেখি।
এরকমই একটি আলোচিত-সমালোচিত হলিউডি মুভি নিয়েই আমার আজকের রিভিউ, শিরোনামে দেখতে পাচ্ছেন মুভির নাম 'দ্য হাঙ্গার গেমস', যার বাংলা করলে দাঁড়ায়- ক্ষুধার্ত ক্রীড়া বা এধরনের কিছু একটা। কিন্তু আমার মতে এই মুভির সঠিক নাম হওয়া উচিত ছিলো 'যত গর্জে তত বর্ষে না'। একথা কেন বলছি?
এর কারন এই মুভি রিলিজের আগে ও পরে ইন্টারনেটে এটি নিয়ে বিস্তর সমালোচনা-আলোচনা দেখেছি, ব্লগ-ফোরাম-ফেসবুক-টুইটার থেকে শুরু করে সবখানে এই মুভির ভক্তগোষ্ঠীদের (বিশেষত নারী সমাজ) অতি-উৎসাহ নিশ্চয় অনেকেরই চোখে পড়েছে। এই মুভিটি হেন, এই মুভিট তেন, এই মুভিটি নারীবাদী মুভি ইত্যাদি ইত্যাদি নানা আলোচনা দেখে নিজেই ভাবছিলাম কি আছে এই মুভিতে? এটাতো অবশ্যই দেখা দরকার।
৮ আগস্ট, ২০১২
২২ জুলাই, ২০১২
Linux Deepin : আকর্ষনীয় একটি লিনাক্স ডিস্ট্রো [রিভিউ]
প্রিয় পাঠক, আবারো নিয়ে আসলাম একটি লিনাক্স ডিস্ট্রোর রিভিউ।
এই ডিস্ট্রোটি নতুন হলেও ইতমধ্যেই লিনাক্স প্রেমীদের নজর কেড়েছে।ভাবছেন কোন ডিস্ট্রোর কথা বলছি? শিরোনামে খেয়াল করুন, হাঁ, আমি আজ যে ডিস্ট্রো সম্পর্কে রিভিউ লিখতে বসেছি তার নাম Linux Deepin। চীনভিত্তিক এই ডিস্ট্রোটির জন্ম একদল বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ডেভেলপারের হাতে, এটির পূর্বনাম Hiweed GNU/Linux। মূলত চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারের লক্ষ্য নিয়ে এটি ডেভেলপ করা হলেও বর্তমানে এটি চীনের বাইরের ব্যবহারকারীদের কাছেও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সেই কারনেই শুরুতে ম্যান্ডারিন (চাইনিজ) ভাষার এই ডিস্ট্রোটি বর্তমানে আলাদা ইংরেজি ভাষার সংস্করণেও পাওয়া যাচ্ছে। দুটি ভিন্ন ভাষায় ISO আকারে এটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়। স্বভাবতই আমি ইংরেজি সংস্করণটি ব্যবহার করছি এবং সেটি থেকেই লিখছি।
গত ১৭ই জুলাই মুক্তি পেয়েছে এই ডিস্ট্রোটির নতুন সংস্করণ ১২.০৬, যেটি উবুন্টু প্রিসাইজ প্যাঙ্গোলিন (১২.০৪) এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। অর্থাৎ এই Linux Deepin ডিস্ট্রোটি একটি উবুন্টু ফর্ক।
এই ডিস্ট্রোটি নতুন হলেও ইতমধ্যেই লিনাক্স প্রেমীদের নজর কেড়েছে।ভাবছেন কোন ডিস্ট্রোর কথা বলছি? শিরোনামে খেয়াল করুন, হাঁ, আমি আজ যে ডিস্ট্রো সম্পর্কে রিভিউ লিখতে বসেছি তার নাম Linux Deepin। চীনভিত্তিক এই ডিস্ট্রোটির জন্ম একদল বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ডেভেলপারের হাতে, এটির পূর্বনাম Hiweed GNU/Linux। মূলত চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারের লক্ষ্য নিয়ে এটি ডেভেলপ করা হলেও বর্তমানে এটি চীনের বাইরের ব্যবহারকারীদের কাছেও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সেই কারনেই শুরুতে ম্যান্ডারিন (চাইনিজ) ভাষার এই ডিস্ট্রোটি বর্তমানে আলাদা ইংরেজি ভাষার সংস্করণেও পাওয়া যাচ্ছে। দুটি ভিন্ন ভাষায় ISO আকারে এটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়। স্বভাবতই আমি ইংরেজি সংস্করণটি ব্যবহার করছি এবং সেটি থেকেই লিখছি।
গত ১৭ই জুলাই মুক্তি পেয়েছে এই ডিস্ট্রোটির নতুন সংস্করণ ১২.০৬, যেটি উবুন্টু প্রিসাইজ প্যাঙ্গোলিন (১২.০৪) এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। অর্থাৎ এই Linux Deepin ডিস্ট্রোটি একটি উবুন্টু ফর্ক।
১২ জুন, ২০১২
উইন্ডোজ ৮: আসছে ভবিষ্যতের অপারেটিং সিস্টেম [রিভিউ]
আজ আপনাদের সামনে এলাম প্রথমবারের মত উইন্ডোজ রিভিউ নিয়ে, ইতিমধ্যেই উইন্ডোজ ৭, ভিস্তা, এক্সপি ব্যবহার করে সবাই যে সংস্করণটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন সেটি হলো উইন্ডোজ ৮। আমার আজকের রিভিউটি এই উইন্ডোজ এইটের নানা দিক ও সুবিধা-অসুবিধা নিয়েই।
মাইক্রোসফট যখন প্রথম উইন্ডোজ এইটের রুপরেখা ঘোষনা করে তখন থেকেই বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিপ্রেমীদের আলাপ-আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে এই উইন্ডোজ ৮। উইন্ডোজ সেভেনের নজরকাড়া সাফল্যের মাধ্যমে উইন্ডোজ ভিস্তার ব্যর্থতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা মাইক্রোসফটের পরবর্তী এই অপারেটিং সিস্টেমটির দিকে স্বাভাবিক ভাবেই সবার আগ্রহ তৈরি হওয়া শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় মাইক্রোসফট উইন্ডোজে এইটের পরীক্ষামূলক বিভিন্ন সংস্করণ অবমুক্ত করা শুরু করে, নতুন নতুন ফিচার এবং ধারনা সমৃদ্ধ এই সংস্করণগুলো সবার টেস্ট করার সুবিধার্থে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোডের সুবিধাও দেয় মাইক্রোসফট। ফলে বিশ্বব্যাপী আগ্রহী ইউজাররা সহজেই উইন্ডোজ এইটের আসন্ন নানা ফিচারের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ লাভ করে।
পুরো বিশ্ব যখন কাঁপছে উইন্ডোজ ৮ জ্বরে তখন পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের উইন্ডোজ ব্যবহারকারী প্রযুক্তিপ্রেমীরাও, অনেকেই এসকল পরীক্ষামূলক সংস্করণ টেস্ট করা শুরু করে দেন।
মাইক্রোসফট যখন প্রথম উইন্ডোজ এইটের রুপরেখা ঘোষনা করে তখন থেকেই বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিপ্রেমীদের আলাপ-আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে এই উইন্ডোজ ৮। উইন্ডোজ সেভেনের নজরকাড়া সাফল্যের মাধ্যমে উইন্ডোজ ভিস্তার ব্যর্থতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা মাইক্রোসফটের পরবর্তী এই অপারেটিং সিস্টেমটির দিকে স্বাভাবিক ভাবেই সবার আগ্রহ তৈরি হওয়া শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় মাইক্রোসফট উইন্ডোজে এইটের পরীক্ষামূলক বিভিন্ন সংস্করণ অবমুক্ত করা শুরু করে, নতুন নতুন ফিচার এবং ধারনা সমৃদ্ধ এই সংস্করণগুলো সবার টেস্ট করার সুবিধার্থে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোডের সুবিধাও দেয় মাইক্রোসফট। ফলে বিশ্বব্যাপী আগ্রহী ইউজাররা সহজেই উইন্ডোজ এইটের আসন্ন নানা ফিচারের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ লাভ করে।
পুরো বিশ্ব যখন কাঁপছে উইন্ডোজ ৮ জ্বরে তখন পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের উইন্ডোজ ব্যবহারকারী প্রযুক্তিপ্রেমীরাও, অনেকেই এসকল পরীক্ষামূলক সংস্করণ টেস্ট করা শুরু করে দেন।
২৮ এপ্রিল, ২০১২
উবুন্টু ১২.০৪ এলটিএস ইন্সটলের পর অবশ্য করণীয় ১০টি কাজ
প্রিয় পাঠক, আপনারা নিশ্চয় অবগত আছেন যে, গত ২৬ এপ্রিল রিলিজ হয়েছে জনপ্রিয় ডেক্সটপ লিনাক্স ডিস্ট্রো উবুন্টুর ৪র্থ লং-টার্ম সার্ভিস সংস্করণ ১২.০৪ (প্রিসাইস প্যাঙ্গোলিন)। নতুন অনেক ফিচার সম্বলিত এই সংস্করণটি ইতিমধ্যেই ইউজারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। নিশ্চয় অনেকেই এটি ইন্সটল করেও ফেলেছেন, কিন্তু ইন্সটলের পর সিস্টেম কাজের উপযোগী করার জন্য কি কি কাজ গুরুত্বপূর্ন সেগুলা সঠিকভাবে জানা না থাকায় অনেক নতুন ব্যবহারকারী হিমশিম খান।
ইন্টারনেটে ইংরেজি ভাষায় এধরনের কাজের তালিকা সম্বলিত বেশকিছু পোস্ট পাওয়া যাবে, কিন্তু আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় এধরনের পোস্টের স্বল্পতা রয়েছে। সেটি মাথায় রেখেই আমি লিখতে বসেছি এই পোস্ট; এখানে আমি চেষ্টা করবো নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য উবুন্টু ১২.০৪ ইন্সটলের পর গুরুত্বপূর্ন কি কি কাজ করতে হবে সেটা যথাসাধ্য সহজ ভাষায় তুলে ধরার। এটি অবশ্য উবুন্টুর অন্যান্য সংস্করণগুলোর জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
তাহলে আসুন মূল পোস্টে যাওয়া যাক-
ইন্টারনেটে ইংরেজি ভাষায় এধরনের কাজের তালিকা সম্বলিত বেশকিছু পোস্ট পাওয়া যাবে, কিন্তু আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় এধরনের পোস্টের স্বল্পতা রয়েছে। সেটি মাথায় রেখেই আমি লিখতে বসেছি এই পোস্ট; এখানে আমি চেষ্টা করবো নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য উবুন্টু ১২.০৪ ইন্সটলের পর গুরুত্বপূর্ন কি কি কাজ করতে হবে সেটা যথাসাধ্য সহজ ভাষায় তুলে ধরার। এটি অবশ্য উবুন্টুর অন্যান্য সংস্করণগুলোর জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
তাহলে আসুন মূল পোস্টে যাওয়া যাক-
৯ এপ্রিল, ২০১২
রিভিউঃ ফুডুন্টু - অদ্ভুত নামের সিরিয়াস ডিস্ট্রো!
আবারো ফিরে এলাম লিনাক্স রিভিউ নিয়ে, আজ যে ডিস্ট্রো সম্পর্কে লিখবো এটি ততটা জনপ্রিয় কোন ডিস্ট্রো নয়, একেবারেই নতুন প্রজেক্টই বলা চলে; ক্যানোনিকাল, রেডহ্যাট, নভেলের মত বড় কোন কোম্পানীর সহায়তাও নেই এটির পিছনে। তবুও নতুন ডিস্ট্রো হিসাবে এটি যথেষ্ট ভালো করেছে এবং বর্তমানে আমি এটি ব্যবহার করছি।
দীর্ঘদিন উবুন্টু ব্যবহারের পর কিছুদিন বিরতি দিয়ে যখন ভাবছিলাম নতুন কোন ডিস্ট্রো দিবো তখনই আমি পরিচিত হই ফুডুন্টুর সাথে...অনেকটা উবুন্টুর নামের সাথে মিল রয়েছে বলে অনেকে এটিকে ভেবে নিতে পারেন আরো একটি উবুন্টু ফর্ক, কিন্তু মূলত তা নয়!
ফুডুন্টু একটি RPM প্যাকেজ ভিত্তিক ডিস্ট্রো যেটির জন্ম ফেডোরার উপর ভিত্তি করে, প্রথম ভার্সনটি মুক্তি পায় ২০১০ সালের নভেম্বরে। এরপর হাঁটি হাঁটি পা পা করে বেশ কিছু ভার্সন রিলিজের পর এটি ২০১১ সালের নভেম্বরে ফেডোরা ১৪ এর একটি রিমিক্স হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। এর ডেভেলপার এন্ড্রু ভয়েত মূলত চেয়েছিলেন ফেডোরা ও উবুন্টুর মাঝামাঝি ধরনের কোন ডিস্ট্রো বানাতে, এর ফলেই এটির নাম রাখা হয় ফুডুন্টু (ফেডোরা+উবুন্টু); ফেডোরার নীতি ও উবুন্টুর সহজবোধ্যতাকে একসাথে এনে নেটবুক ও নোটবুক কম্পিউটারের কথা মাথায় রেখে এটির জন্ম হয়েছিল।
সম্প্রতি এর নীতিতে পরিবর্তনের সুবাদে ২০১২ সালের শুরু থেকে এটি ফেডোরার রিমিক্সের পরিবর্তে স্বাধীন একটি ডিস্ট্রো হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং সেই সাথে আরো কিছু বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো এটিকে রোলিং রিলিজ হিসাবে ঘোষনা করা এবং ফেডোরা রিপোর পরিবর্তে নিজস্ব আলাদা রিপো প্রচলন।
দীর্ঘদিন উবুন্টু ব্যবহারের পর কিছুদিন বিরতি দিয়ে যখন ভাবছিলাম নতুন কোন ডিস্ট্রো দিবো তখনই আমি পরিচিত হই ফুডুন্টুর সাথে...অনেকটা উবুন্টুর নামের সাথে মিল রয়েছে বলে অনেকে এটিকে ভেবে নিতে পারেন আরো একটি উবুন্টু ফর্ক, কিন্তু মূলত তা নয়!
ফুডুন্টু একটি RPM প্যাকেজ ভিত্তিক ডিস্ট্রো যেটির জন্ম ফেডোরার উপর ভিত্তি করে, প্রথম ভার্সনটি মুক্তি পায় ২০১০ সালের নভেম্বরে। এরপর হাঁটি হাঁটি পা পা করে বেশ কিছু ভার্সন রিলিজের পর এটি ২০১১ সালের নভেম্বরে ফেডোরা ১৪ এর একটি রিমিক্স হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। এর ডেভেলপার এন্ড্রু ভয়েত মূলত চেয়েছিলেন ফেডোরা ও উবুন্টুর মাঝামাঝি ধরনের কোন ডিস্ট্রো বানাতে, এর ফলেই এটির নাম রাখা হয় ফুডুন্টু (ফেডোরা+উবুন্টু); ফেডোরার নীতি ও উবুন্টুর সহজবোধ্যতাকে একসাথে এনে নেটবুক ও নোটবুক কম্পিউটারের কথা মাথায় রেখে এটির জন্ম হয়েছিল।
সম্প্রতি এর নীতিতে পরিবর্তনের সুবাদে ২০১২ সালের শুরু থেকে এটি ফেডোরার রিমিক্সের পরিবর্তে স্বাধীন একটি ডিস্ট্রো হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং সেই সাথে আরো কিছু বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো এটিকে রোলিং রিলিজ হিসাবে ঘোষনা করা এবং ফেডোরা রিপোর পরিবর্তে নিজস্ব আলাদা রিপো প্রচলন।
৭ মার্চ, ২০১২
বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ঘিরে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক বিতর্ক এবং কিছু প্রাসঙ্গিক ভাবনা
ক্রিকেট বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। ইংরেজ আমলে উপমহাদেশে চালু হওয়া এই বিলাতী খেলা যতটা জনপ্রিয়তা এবং মিডিয়া আকর্ষণ পেয়েছে অন্য কোন খেলা ততটা পেতে পারেনি। দর্শক আগ্রহ, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, মিডিয়া, অর্থ এই খেলাকে করে তুলেছে তুমুল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে যতটুকু পরিচিত পেয়েছে তার সিংহভাগ মূলত ক্রিকেটের সুবাদে। বিশ্বকাপের মত বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরে বাংলাদেশ খেলেছে কেবল ক্রিকেটেই। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার আগে ও এর পর থেকে বাংলাদেশে এই খেলা নিয়ে যতটা প্যাশন তৈরি হয়েছে এরসাথে আর কোন খেলার তুলনা চলেনা বললেই চলে। বাংলাদেশ টিমের একেকজন ক্রিকেটার দেশের মানুষের কাছে একেকজন আইকন, এরাই দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন, এদের জয়ে আমরা আনন্দ করি আবার এদের পরাজয়ে আমরা বিমর্ষ হই।
১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাথে অবিস্মরণীয় সেই জয়, ২০০০ সালে মর্যাদাপূর্ন টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন, ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়া বধ, ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতকে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় করে দেওয়া সহ ক্রিকেটের সকল জয়ে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ উৎসবের আনন্দে ভেসেছে। দুঃখ-দারিদ্রপীড়িত এই দেশের মানুষ ক্রিকেটের মধ্যে খুঁজে পায় একটু আনন্দ, ক্রিকেট খেলা উপভোগ করে ক্ষণিকের জন্য ভুলে থাকতে চায় জীবনের সমস্যাগুলো। ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন মাঠে দর্শকদের উপস্থিতি এবং কোলাহল, পাড়ায় চায়ের দোকানে দল বেঁধে খেলা দেখা, ক্রিকেট নিয়ে বন্ধুদের আড্ডা মাতিয়ে তোলা, ইন্টারনেট/মোবাইলে ঘন ঘন স্কোর জেনে নেওয়া আমাদের জানান দেয় ক্রিকেটকে আমরা কতটা ভালোবাসি।
১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাথে অবিস্মরণীয় সেই জয়, ২০০০ সালে মর্যাদাপূর্ন টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন, ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়া বধ, ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতকে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় করে দেওয়া সহ ক্রিকেটের সকল জয়ে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ উৎসবের আনন্দে ভেসেছে। দুঃখ-দারিদ্রপীড়িত এই দেশের মানুষ ক্রিকেটের মধ্যে খুঁজে পায় একটু আনন্দ, ক্রিকেট খেলা উপভোগ করে ক্ষণিকের জন্য ভুলে থাকতে চায় জীবনের সমস্যাগুলো। ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন মাঠে দর্শকদের উপস্থিতি এবং কোলাহল, পাড়ায় চায়ের দোকানে দল বেঁধে খেলা দেখা, ক্রিকেট নিয়ে বন্ধুদের আড্ডা মাতিয়ে তোলা, ইন্টারনেট/মোবাইলে ঘন ঘন স্কোর জেনে নেওয়া আমাদের জানান দেয় ক্রিকেটকে আমরা কতটা ভালোবাসি।
৩ মার্চ, ২০১২
ব্লগ সমাজ বদলের হাতিয়ার, তাহলে কেন এত অনীহা?
বাংলা ব্লগিং জগতে আমার পদার্পণ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথমদিকে, সালটা ২০০৮, শুরু থেকেই ব্লগে অন্যদের লিখা পড়তে ভালো লাগতো, তবে সরাসরি ব্লগে তেমন বেশি কিছু লিখা হয়নি, মূলত প্রযুক্তিবিষয়ক ফোরামগুলোতেই ছিলো আমার নিয়মিত পদচারণা। যেহেতু প্রযুক্তি বিষয়ে অধ্যয়নরত আছি সেহেতু প্রযুক্তি বিষয়ক ফোরাম ও ব্লগগুলোই আমাকে বেশি টানতো। ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দর্শণের সংস্পর্শে এসে আমার আগ্রহ জন্মালো রাজনীতি এবং সমাজনীতি বিষয়ে। তবে বাংলা ব্লগগুলোর পরিবেশ ও ব্যক্তিগত কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি এড়িয়ে চলার জন্য এসকল বিষয়ে লিখালিখি এড়িয়ে চলতাম। শুধু পড়েই ভালো লাগতো।
ব্লগিংকে সবসময়ই আমি মনে করি সমাজ বদলের হাতিয়ার, আধুনিক সমাজে বিক্ষুব্ধ তরুণ প্রজন্ম নিজেদের ক্ষোভ ও দাবিগুলো অনলাইনে ফুটিয়ে তুলে ব্লগের মাধ্যমেই। শাসকের শোষণ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তারুণ্যের দৃপ্ত উচ্চারণ একেকটি ব্লগ পোস্ট। ব্লগের ভূমিকা ব্যাপক, দেশের চলমান রাজনীতি, অর্থনীতি সহ নানা বিষয়ে মানুষের বিশেষত দেশের তরুণ প্রজন্মের ভাবনাগুলো আমরা জানতে পারি ব্লগগুলোর মাধ্যমেই। সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত আরব বসন্তে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন উক্ত দেশগুলোর ব্লগার সমাজ সহ তরুন প্রজন্মরাই। তাই নানাসময়ে প্রতিবাদী ব্লগার ও ব্লগগুলোর উপরে নেমে এসেছে শাসকের উৎপীড়ণ। নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে ব্লগের সাহসী ব্লগার ভাইদের। বাংলাদেশও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়।
ব্লগিংকে সবসময়ই আমি মনে করি সমাজ বদলের হাতিয়ার, আধুনিক সমাজে বিক্ষুব্ধ তরুণ প্রজন্ম নিজেদের ক্ষোভ ও দাবিগুলো অনলাইনে ফুটিয়ে তুলে ব্লগের মাধ্যমেই। শাসকের শোষণ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তারুণ্যের দৃপ্ত উচ্চারণ একেকটি ব্লগ পোস্ট। ব্লগের ভূমিকা ব্যাপক, দেশের চলমান রাজনীতি, অর্থনীতি সহ নানা বিষয়ে মানুষের বিশেষত দেশের তরুণ প্রজন্মের ভাবনাগুলো আমরা জানতে পারি ব্লগগুলোর মাধ্যমেই। সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত আরব বসন্তে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন উক্ত দেশগুলোর ব্লগার সমাজ সহ তরুন প্রজন্মরাই। তাই নানাসময়ে প্রতিবাদী ব্লগার ও ব্লগগুলোর উপরে নেমে এসেছে শাসকের উৎপীড়ণ। নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে ব্লগের সাহসী ব্লগার ভাইদের। বাংলাদেশও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়।
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১২
১লা মার্চ ভারতীয় পণ্য বর্জন দিবস পালন করুন
প্রিয় পাঠকবৃন্দ,
আপনারা সকলেই নিশ্চয় অবগত আছেন যে, বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশিদের হত্যা এবং নির্যাতনের প্রতিবাদে বাংলা ব্লগগুলোর অনলাইন এক্টিভিস্টদের ডাকে আগামীকাল ১লা মার্চ দেশব্যাপী ভারতীয় পণ্য/সেবা বর্জন দিবস পালন করার কর্মসূচী আহবান করা হয়েছে।
এদিন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক নির্যাতন ও হত্যার প্রতীকি প্রতিবাদ হিসাবে সকল প্রকার ভারতীয় পণ্য, সেবা ও বিনোদন মাধ্যম বর্জন করুন এবং আপনার পরিবার-সমাজ-বন্ধুমহলের সবাইকে বর্জন করতে উৎসাহিত করুন। পাশাপাশি ফেসবুক-গুগল প্লাস-টুইটার সহ সকল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম মারফত এই কর্মসূচী পালনের কথা সবখানে ছড়িয়ে দিন। নিজের ব্লগ, ফোরাম ও ওয়েবসাইটে এই কর্মসূচী পালনের বিষয়ে লিখুন।
আপনারা সকলেই নিশ্চয় অবগত আছেন যে, বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশিদের হত্যা এবং নির্যাতনের প্রতিবাদে বাংলা ব্লগগুলোর অনলাইন এক্টিভিস্টদের ডাকে আগামীকাল ১লা মার্চ দেশব্যাপী ভারতীয় পণ্য/সেবা বর্জন দিবস পালন করার কর্মসূচী আহবান করা হয়েছে।
এদিন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক নির্যাতন ও হত্যার প্রতীকি প্রতিবাদ হিসাবে সকল প্রকার ভারতীয় পণ্য, সেবা ও বিনোদন মাধ্যম বর্জন করুন এবং আপনার পরিবার-সমাজ-বন্ধুমহলের সবাইকে বর্জন করতে উৎসাহিত করুন। পাশাপাশি ফেসবুক-গুগল প্লাস-টুইটার সহ সকল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম মারফত এই কর্মসূচী পালনের কথা সবখানে ছড়িয়ে দিন। নিজের ব্লগ, ফোরাম ও ওয়েবসাইটে এই কর্মসূচী পালনের বিষয়ে লিখুন।
২১ ডিসেম্বর, ২০১১
উবুন্টু/ডেবিয়ান লিনাক্সে ইন্সটল করুন ওরাকল জাভা ভার্সন ৭
জাভা একটি শক্তিশালী ক্রস প্লাটফর্ম অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। সফটওয়্যার ডেভেলপ, ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে আধুনিক কম্পিউটিংয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ লক্ষ্যনীয়। ওরাকল কর্পোরেশন কর্তৃক রিলিজকৃত JDK (Java Development Kit) হচ্ছে জাভা ডেভেলপারদের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয় একটু টুল। এর পাশাপাশি রয়েছে JRE (Java Runtime Environmet) যেটি ওয়েবব্রাউজার সমূহের জন্য জাভা প্লাগইন হিসাবে কাজ করে।
সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে ওরাকল জাভার নতুন ভার্সন ৭ যেটিতে পূর্বের ভার্সনের চেয়ে আরো বেশি ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে- নতুন প্রটোকল (যেমন- SCTP) সাপোর্ট, নতুন I/O লাইব্রেরি সাপোর্ট, JVM এ যুক্ত হয়েছে নতুন ডাইনামিক ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট, স্ট্রিং সুইচিং ইত্যাদি। ইতিমধ্যেই উইন্ডোজ, লিনাক্স সহ সকল প্লাটগফর্মের জন্য এই নতুন ভার্সনটা পাওয়া যাচ্ছে।
আমার আজকের পোস্টে আমি আলোচনা করবো কিভাবে আপনি উবুন্টু/ডেবিয়ান লিনাক্সে (ফেডোরা/ওপেনসুয্যের জন্য বাইনারি [rpm] রয়েছে, ফলে তাদের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়) ওরাকল জাভার (JDK ও JRE) নতুন এই ভার্সনটি ইন্সটল করবেন।
সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে ওরাকল জাভার নতুন ভার্সন ৭ যেটিতে পূর্বের ভার্সনের চেয়ে আরো বেশি ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে- নতুন প্রটোকল (যেমন- SCTP) সাপোর্ট, নতুন I/O লাইব্রেরি সাপোর্ট, JVM এ যুক্ত হয়েছে নতুন ডাইনামিক ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট, স্ট্রিং সুইচিং ইত্যাদি। ইতিমধ্যেই উইন্ডোজ, লিনাক্স সহ সকল প্লাটগফর্মের জন্য এই নতুন ভার্সনটা পাওয়া যাচ্ছে।
আমার আজকের পোস্টে আমি আলোচনা করবো কিভাবে আপনি উবুন্টু/ডেবিয়ান লিনাক্সে (ফেডোরা/ওপেনসুয্যের জন্য বাইনারি [rpm] রয়েছে, ফলে তাদের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়) ওরাকল জাভার (JDK ও JRE) নতুন এই ভার্সনটি ইন্সটল করবেন।
ট্যাগসমূহ:
ইন্টারনেট,
উবুন্টু,
ওপেনসোর্স,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
লিনাক্স
১০ ডিসেম্বর, ২০১১
উবুন্টুতে মেইল সার্ভার ইন্সটল এবং কনফিগারেশন [১ম পর্ব]
মাঝখানে কিছুদিন ব্যস্ততার কারনে সময় করতে না পারায় ব্লগে নতুন কোন পোস্ট দিতে পারিনি। আজ কিছুটা সময় পেয়ে তাই ফিরে এলাম নতুন একটি লিনাক্স বিষয়ক টিউটোরিয়াল নিয়ে। এর আগে ব্লগে ফেডোরায় সাম্বা সার্ভার ইন্সটলেশন এবং কনফিগারেশন বিষয়ক একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি উবুন্টুতে ধাপে ধাপে মেইল সার্ভার ইন্সটলেশন ও কনফিগার বিষয়ক একটি টিউটোরিয়াল।
লিনাক্স সিস্টেমে মেইল সার্ভার ইন্সটলেশন এবং কনফিগার করা কিছুটা সময় সাপেক্ষ একটি প্রক্রিয়া। তাই আমি ধাপে ধাপে সহজ ভাষায় এই প্রক্রিয়াটি আলোচনা করার চেষ্টা করবো। পুরো বিষয়টি একটি পোস্টে আলোচনা করলে পোস্ট দীর্ঘ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই আমি দুই পর্বে আলোচনাটি করার চেষ্টা করবো। আজ দিলাম ১ম পর্ব।
মেইল সার্ভার ইন্সটলের পূর্বে যেসকল বিষয় জানা দরকার তা হলো একটি মেইল সার্ভার স্থাপনে কি কি দরকার হয়, এটি কেবলমাত্র একটি সার্ভার নয় বরং বেশ কিছু উপাদানের সমন্বয়ে গড়ে উঠে একটি মেইল সার্ভার। আপনার প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত কাজের উদ্দেশ্যে আপনার মেইল সার্ভার দরকার পড়তে পারে। তাই মেইল সার্ভারের প্রয়োজনীয় অংশগুলো জানা থাকা দরকার।
ট্যাগসমূহ:
ইন্টারনেট,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
নেটওয়ার্কিং,
লিনাক্স
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১১
Spotify: অসাধারন একটি অনলাইন মিউজিক সার্ভিস
গান শুনতে কার না ভালো লাগে? সঙ্গীতপিপাসু মানুষের নানাবিধ সঙ্গীতের চাহিদা মেটানোর একটি দারুন মাধ্যম হলো ইন্টারনেট। ওয়েবের জগতে ছড়িয়ে থাকা হাজারো সাইট থেকে অনেকেই পছন্দের গান ডাউনলোড করে শুনতে ভালোবাসেন, আবার অনেকে পছন্দ করেন অনলাইন মিউজিক সার্ভিস।
বিভিন্ন অনলাইন রেডিও, Grooveshark, Pandora সহ হাজারো অনলাইন মিউজিকের ভান্ডারের মাঝে সঙ্গীতপিপাসুদের জন্য আজ আমি নিয়ে এসেছি নতুন ধারার একটি মিউজিক সার্ভিস Spotify।
বিভিন্ন অনলাইন রেডিও, Grooveshark, Pandora সহ হাজারো অনলাইন মিউজিকের ভান্ডারের মাঝে সঙ্গীতপিপাসুদের জন্য আজ আমি নিয়ে এসেছি নতুন ধারার একটি মিউজিক সার্ভিস Spotify।
২৪ জুলাই, ২০১১
বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো সিএসই কার্নিভাল ২০১১
দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল আয়োজিত হয়ে গেলো সিএসই কার্নিভাল ২০১১। ২০০০-০১ সেশনে মাত্র একটি শ্রেনীকক্ষ, ১০ জন ছাত্র আর ৩ জন শিক্ষক নিয়ে যে বিভাগের যাত্রা শুরু, আজ দশ বছর পর এসে ৬ তলা আইটি ভবন সহ প্রায় চার শতাধিক ছাত্রছাত্রী আর ২০ জন শিক্ষকের সমন্বয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বিশিষ্ট সম্পূর্ণ বিভাগে পরিনত হয়েছে সেটি। প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পূর্তিকে স্মরনীয় করে রাখতে তাই গতকাল বসেছিল সাবেক-বর্তমান ছাত্রছাত্রী সহ শিক্ষকদের এক অভূতপূর্ব মিলনমেলা।
১৫ জুন, ২০১১
ফেডোরায় সাম্বা সার্ভার কনফিগারেশন এবং ফাইল শেয়ারিং
প্রিয় পাঠক, আজ আবারো আপনাদের সামনে এলাম আরেকটি টিউটোরিয়াল নিয়ে। এটি সাম্বা-সার্ভার কনফিগার এবং এর মাধ্যমে লিনাক্স এবং উইন্ডোজ মেশিনের মধ্যে ফাইল শেয়ারিং বিষয়ক। অনেক বাসায় কিংবা অফিসে (যেখানে একাধিক কম্পিউটার রয়েছে এবং যেগুলো একই নেটওয়ার্কের আওতায়) অনেক কম্পিউটারে উইন্ডোজ এবং অনেক কম্পিউটারে লিনাক্স ইন্সটল্ড থাকে, লিনাক্স থেকে লিনাক্স মেশিনে ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য বিশেষ কোন মেকানিজম দরকার না হলেও লিনাক্স থেকে উইন্ডোজ মেশিনে ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য সাম্বা-সার্ভার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আসুন প্রথমেই দেখি সাম্বা কি-
সাম্বা হচ্ছে SMB/CIFS Networking Protocol এর একটি ফ্রি সফটওয়্যার ইম্পলিমেন্টেশেন যেটি এন্ড্রু ট্রিগেল কর্তৃক উদ্ভাবিত। এর মাধ্যমে উইন্ডোজ ক্লায়েন্টের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিং করা যায় এবং এর মাধ্যমে উইন্ডোজ সার্ভার ডোমেইনে সহজেই কাজ করা যায়। বেশিরভাগ লিনাক্স/ইউনিক্স-লাইক সিস্টেমেই এটি কাজ করে। এমনকি এটি এপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমেও সমান কার্যকর। আজকাল বেশিরভাগ লিনাক্স ডিস্ট্রোতেই উইন্ডোজ মেশিনের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিংয়ের সুবিধার্থে এটি দেওয়া হয়ে থাকে। সাম্বা নামটি এসেছে SMB (Server Message Block) থেকে যেটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজের নেটওয়ার্ক ফাইল সিস্টেমের একটি প্রটোকল। সাম্বা ওপেনসোর্স এবং GNU GPL লাইসেন্সের আওতায় রিলিজকৃত। এর সর্বশেষ স্টেবল ভার্সন ৩.৫.৮।
সাম্বা হচ্ছে SMB/CIFS Networking Protocol এর একটি ফ্রি সফটওয়্যার ইম্পলিমেন্টেশেন যেটি এন্ড্রু ট্রিগেল কর্তৃক উদ্ভাবিত। এর মাধ্যমে উইন্ডোজ ক্লায়েন্টের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিং করা যায় এবং এর মাধ্যমে উইন্ডোজ সার্ভার ডোমেইনে সহজেই কাজ করা যায়। বেশিরভাগ লিনাক্স/ইউনিক্স-লাইক সিস্টেমেই এটি কাজ করে। এমনকি এটি এপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমেও সমান কার্যকর। আজকাল বেশিরভাগ লিনাক্স ডিস্ট্রোতেই উইন্ডোজ মেশিনের সাথে ফাইল ও প্রিন্টার শেয়ারিংয়ের সুবিধার্থে এটি দেওয়া হয়ে থাকে। সাম্বা নামটি এসেছে SMB (Server Message Block) থেকে যেটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজের নেটওয়ার্ক ফাইল সিস্টেমের একটি প্রটোকল। সাম্বা ওপেনসোর্স এবং GNU GPL লাইসেন্সের আওতায় রিলিজকৃত। এর সর্বশেষ স্টেবল ভার্সন ৩.৫.৮।
ট্যাগসমূহ:
উইন্ডোজ,
ওপেনসোর্স,
টিউটোরিয়াল,
টিপস,
নেটওয়ার্কিং,
ফেডোরা,
লিনাক্স
১০ জুন, ২০১১
টিপসঃ অপেরা ব্রাউজার সম্পর্কিত কিছু টুইক
বর্তমানে বিশ্বে জনপ্রিয় ক্রস-প্লাটফর্ম ব্রাউজারের নাম বলতে গেলেই ফায়ারফক্স ও গুগল ক্রোমের পরই অবধারিতভাবে চলে আসবে অপেরা ব্রাউজারের নাম। মোবাইল হ্যান্ডসেটে ইন্টারনেট ইউজ করছেন এমন ইউজারমাত্রই অপেরা মিনি বা অপেরা মোবাইলের নাম শুনে থাকবেনই। সেই Opera Software ASA কর্তৃক রিলিজকৃত পিসি ব্রাউজারই হলো অপেরা। মোবাইল প্লাটফর্মের মত কম্পিউটার প্লাটফর্মে এতটা সফল না হলেও বর্তমানে ব্রাউজার পরিসংখ্যানে জনপ্রিয়তার দিক থেকে এর স্থান ৫ম এবং মার্কেট শেয়ারের পরিমাণ প্রায় ২.৬%।
আজকাল অনেকেরই কম্পিউটারে ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম বা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের পাশাপাশি অপেরা ব্রাউজারও রয়েছে এবং অনেকেই এটি নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন। সেইসব অপেরা ব্যবহারকারী ও যারা আগামীতে অপেরা ব্যবহারের ইচ্ছা রাখেন তাদের সবার জন্যই আমার আজকের এই টিপস। এর আগের একটি পোস্টে আমি বলেছিলাম কিছু সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে কিভাবে মজিলা ফায়ারফক্সকে দ্রুতগতিসম্পন্ন করা যায়, আজ সেভাবেই দেখাবো অপেরা ব্রাউজারের সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে একে দ্রুতগতিসম্পন্ন করে তোলার উপায়। আর যথারীতি এসকল টিপস সকল প্লাটফর্মের অপেরার জন্যই প্রযোজ্য।
৯ জুন, ২০১১
টিউটোরিয়ালঃ ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রোতে পূর্নাঙ্গ ৩২-বিট সাপোর্ট এনাবল করা
আজ আবার আপনাদের সামনে এসেছি আরেকটি টিউটোরিয়াল নিয়ে। আপনারা অনেকেই নিশ্চয় অবগত আছেন, আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম ৩২-বিট ও ৬৪-বিট এই দুইভাগে বিভক্ত করা যায়। একসময় আমাদের দেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ কম্পিউটারেই ৩২-বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হতো, এমনকি বর্তমানেও এই ধারা অনেকটাই অব্যাহত আছে। কিন্তু উন্নত হার্ডওয়্যার সাপোর্টের এই যুগে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য অনেক ইউজারই ৬৪-বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার শুরু করেছেন। ৩২-বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৬৪-বিট এপ্লিকেশন চালানো যায় না, কিন্তু ৬৪-বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৩২-বিট এপ্লিকেশন সমূহ সহজেই চালানো যায় যদি সঠিক লাইব্রেরী ফাইলসমূহ ইন্সটল থাকে।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মত লিনাক্স ঘরানার অপারেটিং সিস্টেম বা ডিস্ট্রোগুলোও ৩২-বিটের পাশাপাশি ৬৪-বিট ভার্সন রিলিজ দেয় এবং অনেক ইউজারই এখন সেগুলো ইউজ করছেন। এখন এই ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রো ইউজারদের জন্য ডিস্ট্রোসমূহের রিপোতে তাদের আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ দেওয়া থাকে। কিন্তু তবুও কখনো কখনো বিশেষ প্রয়োজনে ৬৪-বিট ইউজারদের কিছু ৩২-বিট প্যাকেজ ইন্সটলের দরকার হয়ে পড়ে, বিশেষ করে- অনেক সফটওয়্যার ভেন্ডর তাদের সফটওয়্যারের কেবলমাত্র ৩২-বিট ভার্সন রিলিজ দেন (উদাহরনস্বরুপ- Yoono, Qnext ইত্যাদি), অর্থাৎ শুধুমাত্র ৩২-বিট আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ তারা সরবরাহ করেন। এখন এধরনের সফটওয়্যারসমূহ চালানোর প্রয়োজনে ৬৪-বিট ডিস্ট্রো ইউজারদের প্রয়োজনীয় ৩২-বিট লাইব্রেরী সমূহ ইন্সটল থাকা দরকার।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মত লিনাক্স ঘরানার অপারেটিং সিস্টেম বা ডিস্ট্রোগুলোও ৩২-বিটের পাশাপাশি ৬৪-বিট ভার্সন রিলিজ দেয় এবং অনেক ইউজারই এখন সেগুলো ইউজ করছেন। এখন এই ৬৪-বিট লিনাক্স ডিস্ট্রো ইউজারদের জন্য ডিস্ট্রোসমূহের রিপোতে তাদের আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ দেওয়া থাকে। কিন্তু তবুও কখনো কখনো বিশেষ প্রয়োজনে ৬৪-বিট ইউজারদের কিছু ৩২-বিট প্যাকেজ ইন্সটলের দরকার হয়ে পড়ে, বিশেষ করে- অনেক সফটওয়্যার ভেন্ডর তাদের সফটওয়্যারের কেবলমাত্র ৩২-বিট ভার্সন রিলিজ দেন (উদাহরনস্বরুপ- Yoono, Qnext ইত্যাদি), অর্থাৎ শুধুমাত্র ৩২-বিট আর্কিটেকচারের উপযোগী প্যাকেজ তারা সরবরাহ করেন। এখন এধরনের সফটওয়্যারসমূহ চালানোর প্রয়োজনে ৬৪-বিট ডিস্ট্রো ইউজারদের প্রয়োজনীয় ৩২-বিট লাইব্রেরী সমূহ ইন্সটল থাকা দরকার।
ট্যাগসমূহ:
উবুন্টু,
ওপেনসুয্যে,
ওপেনসোর্স,
টিউটোরিয়াল,
ফেডোরা,
লিনাক্স
২৭ মে, ২০১১
রিভিউঃ এসে গেলো বহুল আলোচিত ফেডোরা ১৫
বহুল প্রতীক্ষিত রেডহ্যাটের অনুদানকৃত কমিউনিটিভিত্তিক জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রো ফেডোরার ১৫তম ভার্সন মুক্তি পেয়েছে গত ২৪শে মে। এই ভার্সনে বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যেগুলো ইতিমধ্যেই সকলের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। উবুন্টুর পাশাপাশি আমিও ইন্সটল করলাম ফেডোরার এই নতুন ভার্সনটি। প্রথমেই নজর কাড়া গ্নোম ৩ ইন্টারফেস দেখে ভালো লেগে গেলো। তাই এই নতুন ভার্সনটির বিভিন্ন ফিচার ও কি কি ভালো লেগেছে বা কি কি ভালো লাগেনি ইত্যাদি বিষয় সবার সাথে শেয়ার করার জন্য আমার এই পোস্ট। তাহলে আসুন শুরু করা যাক-
প্রথমেই আমরা দেখে নিবো কি কি নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে ফেডোরার এই ভার্সনেঃ
প্রথমেই আমরা দেখে নিবো কি কি নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে ফেডোরার এই ভার্সনেঃ
২ মে, ২০১১
রিভিউঃ উবুন্টু ১১.০৪ ন্যাটি নারহোয়্যাল
গত ২৮শে এপ্রিল রিলিজ হয়েছে বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় ডেস্কটপ লিনাক্স ডিস্ট্রো উবুন্টুর ২০১১ সালের প্রথম ভার্সন ১১.০৪, যেটি উবুন্টুর ১৪ তম ভার্সন। ইতিমধ্যে অনেকেই নিশ্চয় এটি ব্যবহার করেও ফেলেছেন, গত প্রায় এক বছরের বেশি সময় যাবত উবুন্টু ১০.০৪ ব্যবহারের পর আমিও এটি ইন্সটল দিয়েছি সদ্য কেনা ল্যাপিতে। এটি ব্যবহারের পর এটির যেসব দিক আমার ভালো লেগেছে আর যেসব দিক ভালো লাগেনি সেসব নিয়ে আলোচনার জন্যই আমার এই পোস্ট। একজন সাধারন উবুন্টু ইউজারের দৃষ্টিকোণ থেকে উবুন্টুর এই ভার্সনটি সম্পর্কে আমার রিভিউ সবার সাথে শেয়ার করাই এই পোস্টের উদ্দেশ্য।
প্রথমেই বলে নিচ্ছি উবুন্টুর এই ভার্সনে প্রধান কি কি পরিবর্তন/ফিচার এসেছে গত ভার্সন থেকে-
প্রথমেই বলে নিচ্ছি উবুন্টুর এই ভার্সনে প্রধান কি কি পরিবর্তন/ফিচার এসেছে গত ভার্সন থেকে-
২৩ মার্চ, ২০১১
বাড়িয়ে দিন মজিলা ফায়ারফক্সের গতি!
মজিলা ফায়ারফক্স বিশ্বব্যাপী বর্তমানে তুমুল জনপ্রিয় একটি ওয়েব ব্রাউজার। মাইক্রোসফট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের একসময়ের একচ্ছত্র আধিপত্য ভেঙ্গে বর্তমানে এটি ব্রাউজার মার্কেটে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রাউজার মার্কেটে এর বর্তমান ইউজার শেয়ার প্রায় ৩০% যেটি ইউজার শেয়ারের দিক থেকে ২য় অবস্থানে রয়েছে। মাল্টিপ্লাটফর্ম হওয়ার সুবাদে অনেকেই উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক সবখানেই ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন ওয়েব ব্রাউজার হিসাবে। বিশেষ করে বেশিরভাগ মেইনস্ট্রিম লিনাক্স ডিস্ট্রোর সাথে ডিফল্ট ব্রাউজার হিসাবে ফায়ারফক্স থাকায় লিনাক্স ব্যবহারকারীদের কাছে এর জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। পাশাপাশি উইন্ডোজ/ম্যাক ইউজারদের কাছেও এটি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছে।
নানাধরনের ফিচার-এডঅন ইত্যাদি সমৃদ্ধ এই ওয়েব ব্রাউজারটি যথেষ্ট দ্রুতগতির। কিন্তু আপনি কি জানেন কিছু সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি এটিকে করে তুলতে পারেন আরো দ্রুতগতিসম্পন্ন? হাঁ পাঠক, আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে কিছু সেটিংসের পরিবর্তন এটিকে করে তুলতে পারে আরো দ্রুত! এই টিপসগুলো সকল প্লাটফর্মের জন্যই প্রযোজ্য। আপনি যদি কোন কারনে আপনার সিস্টেমে মজিলা ফায়ারফক্সের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকেন তাহলে এই টিপসগুলো অনুসরণ করে দেখতে পারেন, আশা করছি কিছুটা হলেও ভালো ফল পাবেন। তাহলে আসুন শুরু করা যাক-
নানাধরনের ফিচার-এডঅন ইত্যাদি সমৃদ্ধ এই ওয়েব ব্রাউজারটি যথেষ্ট দ্রুতগতির। কিন্তু আপনি কি জানেন কিছু সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি এটিকে করে তুলতে পারেন আরো দ্রুতগতিসম্পন্ন? হাঁ পাঠক, আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে কিছু সেটিংসের পরিবর্তন এটিকে করে তুলতে পারে আরো দ্রুত! এই টিপসগুলো সকল প্লাটফর্মের জন্যই প্রযোজ্য। আপনি যদি কোন কারনে আপনার সিস্টেমে মজিলা ফায়ারফক্সের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকেন তাহলে এই টিপসগুলো অনুসরণ করে দেখতে পারেন, আশা করছি কিছুটা হলেও ভালো ফল পাবেন। তাহলে আসুন শুরু করা যাক-
২ মার্চ, ২০১১
টিপস এন্ড ট্রিকসঃ সাজিয়ে তুলুন আপনার ব্লগ (৪র্থ পর্ব)
১ম পর্ব
২য় পর্ব
৩য় পর্ব
(গত পর্বের পর)
গত পর্বে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম ব্লগার ব্লগে নতুন ফিচার যোগ সংক্রান্ত কিছু টিপস, এখন আপনাদের সামনে আবারো হাজির হলাম আরো কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস নিয়ে। তাহলে চলুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক-
ব্লগ পোস্টে যুক্ত করুন ওয়েলকাম মেসেজ
এই ব্লগের পোস্টে শিরোনামের নিচে আপনারা নিশ্চয় একটি ওয়েলকাম মেসেজ দেখতে পাচ্ছেন, এধরনের ওয়েলকাম মেসেজের সাহায্যে আপনি আপনার ব্লগের পাঠককে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি আপনার ব্লগের আরএসএস ফিডে সাবস্ক্রাইবের সুযোগ দিতে পারেন, এতে আগ্রহী পাঠক ব্লগের নতুন পোস্টগুলো প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই আপডেট পেয়ে যাবে। জেকুয়েরী এর সাহায্যে বানানো এধরনের এনিমেটেড ওয়েলকাম মেসেজ আপনার ব্লগ পোস্টকে আরো চিত্তাকর্ষক করে তুলতে সাহায্য করতে পারে, আসুন দেখি কিভাবে এটি যোগ করবেন-
২য় পর্ব
৩য় পর্ব
(গত পর্বের পর)
গত পর্বে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম ব্লগার ব্লগে নতুন ফিচার যোগ সংক্রান্ত কিছু টিপস, এখন আপনাদের সামনে আবারো হাজির হলাম আরো কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস নিয়ে। তাহলে চলুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক-
ব্লগ পোস্টে যুক্ত করুন ওয়েলকাম মেসেজ
এই ব্লগের পোস্টে শিরোনামের নিচে আপনারা নিশ্চয় একটি ওয়েলকাম মেসেজ দেখতে পাচ্ছেন, এধরনের ওয়েলকাম মেসেজের সাহায্যে আপনি আপনার ব্লগের পাঠককে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি আপনার ব্লগের আরএসএস ফিডে সাবস্ক্রাইবের সুযোগ দিতে পারেন, এতে আগ্রহী পাঠক ব্লগের নতুন পোস্টগুলো প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই আপডেট পেয়ে যাবে। জেকুয়েরী এর সাহায্যে বানানো এধরনের এনিমেটেড ওয়েলকাম মেসেজ আপনার ব্লগ পোস্টকে আরো চিত্তাকর্ষক করে তুলতে সাহায্য করতে পারে, আসুন দেখি কিভাবে এটি যোগ করবেন-
ট্যাগসমূহ:
উইন্ডোজ,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
টিপস,
ডিজাইন,
ব্লগিং,
লিনাক্স
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
টিপস এন্ড ট্রিকসঃ সাজিয়ে তুলুন আপনার ব্লগ (৩য় পর্ব)
১ম পর্ব
২য় পর্ব
(গত পর্বের পর)
গতপর্বে আমি আপনাদের সাথে ব্লগার প্লাটফর্মের ব্লগে নতুন সুবিধা যোগ সংক্রান্ত কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস শেয়ার করেছিলাম। আজ আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি আরো কিছু নতুন ফিচার যোগ করার উপায়, তাহলে আসুন শুরু করা যাক-
মন্তব্য ফরমে যুক্ত করুন ইমোটিকন
ব্লগ/ফোরামের পোস্ট/মন্তুব্যের অন্যতম সুন্দর একটি ফিচার হলো ইমোটিকন (সংক্ষেপে- ইমো)। এর মাধ্যমে পাঠক/লেখক নিজের মনের কোন ভাব ছবির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। ব্লগার প্লাটফর্মের ব্লগে মন্তব্য ফরমে ডিফল্টভাবে এই ইমোটিকন সুবিধাটি দেওয়া না থাকলেও টেমপ্লেটে কিছুটা পরিবর্তন এনে আপনি আপনার ব্লগের মন্তব্য ফরমে যোগ করতে পারেন আকর্ষনীয় কিছু ইমোটিকন। এটি করার উপায় হলো-
২য় পর্ব
(গত পর্বের পর)
গতপর্বে আমি আপনাদের সাথে ব্লগার প্লাটফর্মের ব্লগে নতুন সুবিধা যোগ সংক্রান্ত কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস শেয়ার করেছিলাম। আজ আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি আরো কিছু নতুন ফিচার যোগ করার উপায়, তাহলে আসুন শুরু করা যাক-
মন্তব্য ফরমে যুক্ত করুন ইমোটিকন
ব্লগ/ফোরামের পোস্ট/মন্তুব্যের অন্যতম সুন্দর একটি ফিচার হলো ইমোটিকন (সংক্ষেপে- ইমো)। এর মাধ্যমে পাঠক/লেখক নিজের মনের কোন ভাব ছবির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। ব্লগার প্লাটফর্মের ব্লগে মন্তব্য ফরমে ডিফল্টভাবে এই ইমোটিকন সুবিধাটি দেওয়া না থাকলেও টেমপ্লেটে কিছুটা পরিবর্তন এনে আপনি আপনার ব্লগের মন্তব্য ফরমে যোগ করতে পারেন আকর্ষনীয় কিছু ইমোটিকন। এটি করার উপায় হলো-
ট্যাগসমূহ:
উইন্ডোজ,
ওয়েব ডেভেলপ,
টিউটোরিয়াল,
টিপস,
ডিজাইন,
ব্লগিং,
লিনাক্স
